সোনালিকে ফোন করে পাশে থাকার বার্তা, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর দেখা করবেন অভিষেক

সোনালিকে ফোন করে পাশে থাকার বার্তা, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর দেখা করবেন অভিষেক

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বেশ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল। বাংলায় কথা বলায় ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে দিল্লি পুলিশের পুশব্যাক, বাংলাদেশে দীর্ঘ জেলজীবন, অসুস্থতা, নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় – সবরকম প্রতিকূলতার মোকাবিলা করে অবশেষে দেশে ফিরেছেন বীরভূমের পরিযায়ী শ্রমিক সোনালি খাতুন। সপ্তাহ দুই আগে দেশে ফেরার পর প্রথমে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর নিজের বাড়িতে ফিরেছেন। ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় আপাতত পাইকর গ্রামের বাড়িতে বিশ্রামে রয়েছেন সোনালি। এই অবস্থায় তাঁকে ফোন করে চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত সাহায্যের আশ্বাস দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, সোনালির সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এর আগে অবশ্য বুধবার সংসদে দাঁড়িয়ে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ জানিয়েছিলেন, ”আগামী পরশুদিন (শুক্রবার) সোনালি খাতুনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করছি। তাঁর পরিবারের সকলের প্রতি আমার সমবেদনা ছিল। যোগাযোগের মধ্যে ছিলাম আমরা।” তবে বৃহস্পতিবার সোনালির সঙ্গে দেখা করার দিনক্ষণ বদল করলেন অভিষেক। এই মুহূর্তে বীরভূমের তরুণীর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে এখনই যাতায়াতের বিষয়টি লাগাম টানার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সাংসদ। আর সেই কারণেই সোনালির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি পিছিয়ে দিলেন। এদিন সোনালিকে ফোন করে তাঁর চিকিৎসায় সমস্ত সাহায্য করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

এই মুহূ্র্তে অন্তঃসত্ত্বা সোনালির শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে অভিষেক জানিয়েছেন, এখনই তাঁর অন্য কোথাও যাওয়ার দরকার নেই। সুস্থভাবে সন্তানের জন্ম দিন, তারপরই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তৃণমূল সাংসদ। ফোনে অভিষেক জানিয়েছেন, সোনালির প্রসবের জন্য যা যা চিকিৎসা পরিষেবা প্রয়োজন, তার সবটাই ব্যবস্থা করবেন তিনি। সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তারপর অভিষেক তাঁর সঙ্গে দেখা করতে ইচ্ছুক। দেশে ফেরার পর সোনালি ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন, তাঁর সন্তানের নামকরণ করুন মুখ্যমন্ত্রী। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ‘মা’ সোনালির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা বলায় স্বভাবতই খুশি তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *