সূর্যের চেয়ে ১৫৪০ গুণ বড়! বিস্ফোরণে ফেটে পড়বে ‘লাল দৈত্য’?

সূর্যের চেয়ে ১৫৪০ গুণ বড়! বিস্ফোরণে ফেটে পড়বে ‘লাল দৈত্য’?

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


আমাদের সৌরজগৎ থেকে তার অবস্থান বহু দূরের। পৃথিবী থেকে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার আলোকবর্ষ দূরত্বে অবস্থিত নক্ষত্রটির নাম WOH G64। আয়তনে যে সূর্যের চেয়ে ১৫৪০ গুণ বড়! আপাতত সে ‘লাল দৈত্য’। গত পাঁচ দশক আগে আবিষ্কৃত তারাটির আলো বদলাতে শুরু করেছে। তাহলে কি এবার বিরাট বিস্ফোরণে ফেটে পড়বে তারাটি?

গত শতকের সাতের দশকে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন WOH G64-কে। বহুদিন ধরেই একে ‘রেড সুপার জায়ান্ট’ হিসেবেও চিহ্নিত করেছেন তাঁরা। নক্ষত্র তার অভ্যন্তরের প্রবল শক্তির ক্ষয় ঘটানোর পরে সাধারণ এই আকার ধারণ করে। এরপর তা ফেটে পড়ে। কিন্তু এই নক্ষত্রটি তেমন স্বাভাবিক বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে না। তাই আলাদা করে সেটির দিকে নজর রেখেছেন বিজ্ঞানীরা। বলে রাখা ভালো, বয়সে কিন্তু ওই নক্ষত্র আমাদের সূর্যের চেয়ে অনেক নবীন। সূর্যের বয়স যেখানে ৪৬০ কোটি বছর, সেখানে এই তারাটি মাত্র ৫০-৬০ লক্ষ বছরের বেশি বয়সি নয়।

আরও পড়ুন:

২০১৪ সাল থেকে দেখা গিয়েছে নক্ষত্রটির ব্যবহার বদলাতে শুরু করেছে। মনে করা হয়েছিল আয়তনে বাড়তে বাড়তে ঠান্ডাও হয়ে গিয়েছে সেটি। কিন্তু ওই সময় থেকেই দেখা গিয়েছে, নীলচে আকার ধারণ করতে শুরু করেছে নক্ষত্রটি। সেই সঙ্গে গরমও হয়ে চলেছে। কেমন নাটকীয় ভাবেই ঘটছে সেই পরিবর্তন। কিন্তু সেই তারাটি কি ফেটে চৌচির হয়ে যাবে? বিজ্ঞানীরা কি দেখতে পাবেন সুপারনোভা? মনে করা হচ্ছে, সরাসরি বিস্ফোরণ না ঘটিয়ে সে কৃষ্ণগহ্বরে পরিণতও হতে পারে। আপাতত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা অধীর আগ্রহে লক্ষ করছে WOH G64-কে। কোনও নক্ষত্রের এই রকম আচরণ তাঁদের কাছে ‘হাতে গরমে’ অভিজ্ঞতার দারুণ সুযোগ।

গত শতকের সাতের দশকে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন WOH G64-কে। বহুদিন ধরেই একে ‘রেড সুপার জায়ান্ট’ হিসেবেও চিহ্নিত করেছেন তাঁরা। নক্ষত্র তার অভ্যন্তরের প্রবল শক্তির ক্ষয় ঘটানোর পরে সাধারণ এই আকার ধারণ করে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *