সারাজীবন একাই কাটবে? জেনে নিন কোন জন্মসংখ্যার জাতকের বিয়েতে আসে বারবার বাধা

সারাজীবন একাই কাটবে? জেনে নিন কোন জন্মসংখ্যার জাতকের বিয়েতে আসে বারবার বাধা

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


ছাদনাতলা পর্যন্ত পৌঁছনোর আগেই বারবার ভেঙে যাচ্ছে সম্পর্ক? সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমেরোলজি বলছে, এর নেপথ্যে থাকতে পারে গ্রহরাজ শনির কুদৃষ্টি। জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিকে বলা হয় ধীরগতির গ্রহ। তিনি যেমন কর্মফলদাতা, তেমনই তাঁর প্রভাবে জীবনে আসে বাধা ও বিলম্ব। বিশেষ কিছু সংখ্যার জাতকদের ক্ষেত্রে প্রেম ও বিয়ের পিচ বড্ড পিচ্ছিল হয়। কারা তাঁরা? জানেন কি?

Horoscope: 9 tips to reduce the ill effects of Shani Sade Sati
ফাইল ছবি

আরও পড়ুন:

রাহু-শনির ফেরে মূলাঙ্ক ৪
কোনও মাসের ৪, ১৩, ২২ বা ৩১ তারিখে যাঁদের জন্ম, সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী তাঁদের মূলাঙ্ক ৪। এই সংখ্যার জাতকদের জীবনে রাহু এবং শনি— উভয়েরই প্রভাব প্রবল। রাহুর জেরে এঁদের স্বভাবে জেদ ও দোটানা তৈরি হয়। অন্যদিকে, শনির প্রভাবে সঙ্গীর মধ্যে অতিরিক্ত খুঁতখুঁতেমি বা পারফেকশন খোঁজেন এঁরা। ফলে মনের মতো মানুষ সহজে মেলে না। প্রেম হলেও ছাদনাতলা পর্যন্ত পৌঁছতে কালঘাম ছুটে যায়। পারিবারিক আপত্তি বা সামাজিক বাধা যেন পিছনে ফেউয়ের মতো লেগে থাকে। ফলে চার হাত এক হতে বেশ দেরি হয়।

বিশ্বাসের মাশুল গোনে মূলাঙ্ক ৭
যাঁদের জন্ম ৭, ১৬ বা ২৫ তারিখে, তাঁদের মূলাঙ্ক ৭। এই সংখ্যার অধিপতি কেতু হলেও, এদের রাশিতে শনির ছায়া দীর্ঘ। এঁরা বড্ড সরল মনের হন। অতি সহজেই মানুষকে বিশ্বাস করে বসেন। আর ঠিক এই জায়গাতেই বারবার প্রতারিত হতে হয়। প্রেমের সম্পর্কে আঘাত পেলে এঁরা খোলসের মধ্যে ঢুকে যান। গ্রাস করে মানসিক অবসাদ। একাকীত্ব কাটিয়ে উঠে নতুন করে কাউকে ভালোবাসতে এঁদের বহু বছর সময় লেগে যায়।

শনির ঘরের জাতক মূলাঙ্ক ৮
কোনও মাসের ৮, ১৭ বা ২৬ তারিখে জন্মালে আপনার মূলাঙ্ক ৮। এই সংখ্যার অধিপতি স্বয়ং শনিদেব। ফলে এদের জীবনটাই এক অনন্ত সংগ্রামের নাম। প্রেম বা বিয়ে— কোনও কিছুই সহজে জোটে না। পারিবারিক দায়িত্বের বোঝা কিংবা আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে বিয়ের সানাই বাজতে বাজতে মাঝবয়স পেরিয়ে যায়। অনেক সময় প্রেমে চরম আঘাত পেয়ে চিরকুমার বা চিরকুমারী থাকার সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেন অনেকে। তবে দেরিতে হলেও, এঁদের দাম্পত্য জীবন সাধারণত সুখের হয়।

এই কুপ্রভাব কাটানোর উপায় কী?
সংখ্যাতত্ত্ববিদদের মতে, শনির এই কুপ্রভাব কাটাতে কিছু টোটকা মেনে চলা জরুরি। প্রতি শনিবার নিয়ম করে শনি মন্দিরে বা অশ্বত্থ গাছের তলায় সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালান। কালো তিল, কালো পোশাক কিংবা বিউলির ডাল দান করলে শনিদেব শান্ত হন। নিয়মিত ‘ওঁ শং শনৈশ্চরায় নমঃ’ মন্ত্র জপ এবং হনুমান চালিশা পাঠে কাটে গ্রহের দোষ। তবে সবচেয়ে বড় প্রতিকার লুকিয়ে নিজের মনে। সম্পর্কের টানাপোড়েন সামলাতে অহংকার ও জেদ ত্যাগ করা অত্যন্ত জরুরি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *