সাধারণতন্ত্র দিবসে সেরা ট্যাবলোর পুরস্কার ৩ NDA রাজ্যকে, মন জিতেও শিরোপা নেই বাংলার

সাধারণতন্ত্র দিবসে সেরা ট্যাবলোর পুরস্কার ৩ NDA রাজ্যকে, মন জিতেও শিরোপা নেই বাংলার

জ্যোতিষ খবর/ASTRO
Spread the love


নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: সাধারণতন্ত্র দিবসে কর্তব্যপথে সকলের নজর কেড়ে নিয়েছিল বাংলার ট্যাবলো। ছৌ নাচের সঙ্গে বাউল-লোকসঙ্গীতের সুরে বাংলার সংস্কৃতি উঠে এসেছিল বাংলার ট্যাবলোয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও সেরার শিরোপা পেল না বাংলা। ২০২৫-এর সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণকারী শ্রেষ্ঠ ট্যাবলোর তালিকায় প্রথম তিনে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরা এবং অন্ধ্রপ্রদেশ। অর্থাৎ বিজেপি এবং এনডিএ শাসিত তিন রাজ্য। কেন সেরার তালিকায় ঠাঁই পেল না বাংলা, সেই নিয়ে বিতর্ক উঠছে।

রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ট্যাবলোর মধ্য থেকে প্রথম হয়েছে উত্তরপ্রদেশ। তাদের ভাবনা ছিল,‘মহাকুম্ভ, ২০২৫–স্বর্ণিম ভারত: বিরাসত অউর বিকাশ’। দ্বিতীয় হয়েছে ত্রিপুরা। তাদের ভাবনা ছিল,‘শাশ্বত শ্রদ্ধা: ত্রিপুরায় ১৪ দেবতার পুজো–খারচি পুজো’। তৃতীয় হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। তাদের ভাবনা ছিল – ‘এটিকোপাক্কা বোম্মালু – পরিবেশ-বান্ধব কাঠের খেলনা’। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক ও দপ্তরের ট্যাবলোর মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা জিতেছে আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রক। তাদের ভাবনা ছিল – ‘জনজাতীয় গৌরব বর্ষ’। সেরা ট্যাবলোগুলি বেছে নিয়েছে তিন সদস্যের প্যানেল।

তবে এই প্যানেল ছাড়াও অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমেও সেরা ট্যাবলো বেছে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সাধারণতন্ত্র দিবসে অংশগ্রহণকারী পছন্দের ট্যাবলো ও দল বেছে নেওয়ার জন্য ২৬-২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত MyGov পোর্টালে দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে অনলাইন ভোট নেওয়া হয়। ‘পপুলার চয়েস’ বিভাগে সেরা তিনটি ট্যাবলো নির্বাচিত হয়েছে গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ড। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের শ্রেষ্ঠ ট্যাবলো নির্বাচিত হয়েছে নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রক।

উল্লেখ্য, অতীতে একাধিকবার সাধারণতন্ত্র দিবসের প্যারেডে ঠাঁই পায়নি বাংলার ট্যাবলো। যা নিয়ে বিস্তর রাজনীতির কচকচানি, কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি অনেক কিছু হয়েছে। এবার সাধারণতন্ত্র দিবসের থিম ‘স্বর্ণিম ভারত- বিরাসত অর বিকাশ’। তাতে বাংলার যে মডেল পাঠানো হয়েছিল তা পছন্দ হয় কেন্দ্রের। বাংলার ট্যাবলোর সামনের দিকে ছিল ছৌ মুকুটের আদলে দুর্গাপ্রতিমা। ‘নারী শক্তির জাগরণ’ বোঝাতে সামনের দিকেই রাখা ছিল মাতৃমূর্তি। ট্যাবলোর সামনের দিকে ছিল ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের কলস। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প কীভাবে নারীদের শক্তিশালী করেছে সেটা বোঝানোর সাধারণ গৃহবধূদেরও জায়গা দেওয়া হয় ট্যাবলোয়।

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *