এখন ভরা হেমন্ত। মাস পেরোলেই শীতের পরশ লাগবে পশ্চিমবঙ্গে। আর শীত মানেই সমার্থক কমলালেবু। শীতের দুপুরে উষ্ণ ওম গায়ে মাখার অনুভূতিটা কমলালেবু ছাড়া যেন বড্ড বেমানান। ঠিক তেমনই পিকনিকের ব্রেকফাস্ট মেনুতেও মাস্ট শীতের সিগনেচার কমলালেবু। তবে সমতলের বাজারে কমলালেবুর আগমন হয় দার্জিলিং কিংবা সিটং থেকে। চাহিদা মেটাতে ভিনরাজ্য থেকে প্রচুর কমলালেবু আমদানি হয়। তবে এ বার এখানেই কমলালেবুর বাগানের দেখা মিলেছে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে।
যে দিকেই চোখ যায়, সারি সারি কমলালেবুর গাছ। বাগান পা রাখলেই ম ম করছে মিষ্টি গন্ধ। অশোকনগরের বাসিন্দা নারায়ণ মণ্ডলের আট বিঘা জমি যেন এক টুকরো ‘পাহাড়ি আমেজ’। বর্তমানে অশোকনগরে আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছে এই বাগান। আশেপাশের মানুষ এই কমলালেবুর বাগান দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন সেখানে। আগাম শীতের মরশুমে সমতলে এমন পাহাড়ি স্বাদ পেয়ে আপ্লুত সকলে।
আরও পড়ুন:
বাগান মালিক নারায়ণ মণ্ডলের দাবি, গত বেশ কয়েক বছর ধরেই কমলালেবু চাষ শুরু করেছেন তিনি। তবে এবার যা আশা করেছিলেন, তার চেয়ে দ্বিগুণ ফিরিয়ে দিয়েছেন তার শখের বাগান। তিনি জানিয়েছেন, আগের কয়েকবছরের তুলনায় এবার ফলন অনেকটাই বেড়েছে।। এ বার ৭৫ টি গাছে ফলন ধরেছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি নারায়ণ এও বলেন, নার্সারিতে ফলন হওয়া কমলালেবুও স্বাদেও রয়েছে বিশেষত্ব।
সমতলের আবহাওয়ায় কমলালেবু গাছের পরিচর্যা করেন কীভাবে, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বাগানমালিক। তিনি জানান, গাছগুলিতে যাতে সরাসরি সূর্যের আলো না পড়ে, তাই বিশেষ গ্রিন নেট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে গোটা বাগান। গত রবিবার থেকে উৎসাহী দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়া এই বাগান। মাথা পিছু ১০টাকা টিকিটিও ধার্য করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জানুয়ারির ১০ তারিখ পর্যন্ত এই বাগান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাগানের মলিক নারায়ণ মণ্ডল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
