সত্যিই ইচ্ছাকৃতভাবে ফিল্ডিংয়ে বাধা দেন রঘুবংশী? কেকেআর ব্যাটারকে নিয়ে চূড়ান্ত রায় এমসিসি’র 

সত্যিই ইচ্ছাকৃতভাবে ফিল্ডিংয়ে বাধা দেন রঘুবংশী? কেকেআর ব্যাটারকে নিয়ে চূড়ান্ত রায় এমসিসি’র 

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


সত্যিই ইচ্ছাকৃতভাবে ফিল্ডিংয়ে বাধা দেন অঙ্গকৃষ রঘুবংশী? লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ম্যাচে কেকেআর ব্যাটারকে দেওয়া বিতর্কিত আউটের সিদ্ধান্ত নিয়ে এবার অবস্থান স্পষ্ট করল মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি)। তৃতীয় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে তারা। 

এই বিষয়ে আরও খবর

ম্যাচে দেখা যায়, থ্রো আসার সময় অঙ্গকৃষ বলের লাইনের সামনে চলে আসেন। এ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে বলের গতিপথ আটকে দিয়েছিলেন কি না। এমসিসি জানিয়েছে, ভিডিও দেখে তাদের মনে হয়েছে অঙ্গকৃষ সচেতনভাবেই দৌড়ের দিক বদলেছিলেন এবং বলের সামনে চলে আসেন, যাতে থ্রো স্টাম্পে না লাগে। ক্রিকেট আইনের ৩৭.১.১ ধারা অনুযায়ী, কোনও ব্যাটার যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ফিল্ডিং দলের কাজে বাধা দেন, তাহলে তাঁকে ‘অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড’ আউট দেওয়া যায়। এমসিসি জানায়, অঙ্গকৃষের ক্ষেত্রে সেই আইনই প্রযোজ্য।

এমসিসি জানিয়েছে, ভিডিও দেখে তাদের মনে হয়েছে অঙ্গকৃষ সচেতনভাবেই দৌড়ের দিক বদলেছিলেন এবং বলের সামনে চলে আসেন, যাতে থ্রো স্টাম্পে না লাগে।

তারা আরও বলেছে, অঙ্গকৃষ পিচের মাঝখান দিয়ে দৌড়েছিলেন, যা স্বাভাবিক দৌড়ের পথ নয়। সাধারণত ব্যাটাররা দৌড়নোর সময় নির্দিষ্ট লাইনে থাকেন। কিন্তু তিনি পথ বদলে এমন জায়গায় যান, যেখানে বলের সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই একে ‘ইচ্ছাকৃত’ বলেই মনে করছে এমসিসি। তাদের মতে, অঙ্গকৃষ যদি অফসাইডে নিজের স্বাভাবিক লাইনে থাকতেন, তাহলে বল তাঁর গায়ে লাগার সম্ভাবনা ছিল না। আবার লেগসাইড দিয়ে দৌড় শুরু করে একই পথে ফিরলেও পরিস্থিতি আলাদা হতে পারত। কিন্তু মাঝপথে দিক বদলানোই তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েছে।

তাদের মতে, অঙ্গকৃষ যদি অফসাইডে নিজের স্বাভাবিক লাইনে থাকতেন, তাহলে বল তাঁর গায়ে লাগার সম্ভাবনা ছিল না। আবার লেগসাইড দিয়ে দৌড় শুরু করে একই পথে ফিরলেও পরিস্থিতি আলাদা হতে পারত। কিন্তু মাঝপথে দিক বদলানোই তাঁর বিরুদ্ধে গিয়েছে।

এমসিসি’র স্পষ্ট মত, বল স্টাম্পে লাগত কি না বা অঙ্গকৃষ আগে ক্রিজে পৌঁছতেন কি না, তা এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আসল বিষয় হল, তিনি ফিল্ডিং দলের কাজে বাধা দিয়েছেন কি না। সেই কারণেই তাঁকে আউট দেওয়ার সিদ্ধান্ত একেবারে সঠিক। উল্লেখ্য, অঙ্গকৃষের ঘটনাটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এমসিসি ‘ক্রিকেট আম্পায়ারিং এবং স্কোরিং’ বইটির উল্লেখ করেছে, যার লেখক টম স্মিথ।

ঠিক কী হয়েছিল? লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে কেকেআর ম্যাচের পঞ্চম ওভারের ঘটনা। প্রিন্স যাদবের মিডল ও অফ স্টাম্পে ব্যাক অফ লেংথ বল মিড অনে ঠেলে রান নিতে ছুটেছিলেন তিনি। অর্ধেক পথ পেরিয়েও এসেছিলেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গী রাজি ক্যামেরন গ্রিন রাজি ছিলেন না। দ্রুত ঘুরে ক্রিজে ফেরার চেষ্টা করতে গিয়ে ডাইভ দেন রঘুবংশী। সেই সময়ই মহম্মদ শামির থ্রো এসে লাগে তাঁর গায়ে। প্রথমে এলএসজি শিবির থেকে হালকা আবেদন উঠলেও বিষয়টি স্পষ্ট ছিল না। রিয়েল টাইমে মনে হয়েছিল, ব্যাটার লাইনে ফেরারই চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সিদ্ধান্তের জন্য তৃতীয় আম্পায়ারের শরণাপন্ন হন মাঠের আম্পায়াররা।

এমসিসি’র স্পষ্ট মত, বল স্টাম্পে লাগত কি না বা অঙ্গকৃষ আগে ক্রিজে পৌঁছতেন কি না, তা এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। আসল বিষয় হল, তিনি ফিল্ডিং দলের কাজে বাধা দিয়েছেন কি না। সেই কারণেই তাঁকে আউট দেওয়ার সিদ্ধান্ত একেবারে সঠিক।

রিপ্লে খতিয়ে দেখে তৃতীয় আম্পায়াররা মনে করেন, রঘুবংশীর ‘টার্নিং রেডিয়াস’ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি ছিল। অর্থাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি ঘুরেছিলেন। তাছাড়াও বলের দিকেও তাকিয়েছিলেন। যা তাঁর দিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। ডাইভ দেওয়ার সময় তিনি পিচের মাঝের অংশ চলে গিয়েছিলেন। সবদিক বিচার করে শেষ পর্যন্ত তাঁকে আউট দেওয়া হয়। এখন প্রশ্ন হল, এমন আউটের নাম কী? উত্তর হল ‘অবস্ট্রাটিং দ্য ফিল্ড’। অর্থাৎ ফিল্ডিংয়ে বাধা দেওয়ার ‘অপরাধে’ আউট তিনি। এমন আউট স্মরণকালে দেখা গিয়েছে কিনা, সন্দেহ রয়েছে। এমন সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট ছিলেন রঘুবংশী-সহ কেকেআর শিবির। সেই আউট নিয়ে এবার ‘রায়’ দিল ক্রিকেটের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। 

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *