শাহরুখ মন্নত ছাড়তেই ধুঁকছে ব্যবসা! বান্দ্রার ব্যান্ডস্ট্যান্ডে হাহাকার দোকানদারদের

শাহরুখ মন্নত ছাড়তেই ধুঁকছে ব্যবসা! বান্দ্রার ব্যান্ডস্ট্যান্ডে হাহাকার দোকানদারদের

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মন্নত। মায়ানগরী মুম্বইয়ে এলে ‘বাদশাহ’ শাহরুখের এই প্রাসাদোপম বাংলোর সামনে একবার ঢুঁ মারেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। আর যদি তিনি শাহরুখ-ভক্ত হন। তাহলে তো সুযোগ পেলেই ভিড় জমাতেই হবে এখানে। এমনকী মুম্বইয়ের বাসিন্দারাও নিয়মিত শাহরুখ-দর্শনে হাজির হয়ে যান মন্নতের সামনে। কিন্তু ইদানীং সেই ভিড়ে ঠাসা ছবিটায় কেমন ভাটার টান! আসলে সম্প্রতি সাধের বাংলো ছেড়ে সপরিবারে অন্যত্র চলে গিয়েছেন কিং খান। থাকছেন পালি হিলসের ভাড়া বাড়িতে। ফলে মন্নতের সামনে আর নেই মানুষের জটলা। যার প্রভাব সরাসরি পড়েছে আশপাশের দোকানে। বিক্রিবাটা যে হু হু করে কমে গিয়েছে!

মায়ানগরীর অন্যতম দ্রষ্টব্য হয়ে ওঠা মন্নতের সামনে সারা বছরই ভিড় লেগে থাকত। বিশেষ বিশেষ দিনে ভক্তদের দর্শনও দিতেন কিং খান। কিন্তু এখন আর সেই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে না। আসলে এবার স্বপ্নের বাংলো মন্নতের কলেবর আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন গৌরী খান। সেই জন্যই ঠিকানা বদলে জ্যাকি ভাগনানির বাংলো আগামী ৩ বছরের জন্য লিজ নিয়েছেন শাহরুখ। তাই আপাতত মন্নত ‘সম্রাট’-হীন।

মহাতারকার দ্যুতি তাঁদের ব্যবসাকে কতটা আলো দিত, এখন ভালোই বুঝছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কার্যতই নাভিশ্বাস উঠেছে তাঁদের। এতদিন রমরমিয়ে ব্যবসা চলছিল। শাহরুখ-দর্শনে আসা লোকজন আইসক্রিম থেকে নানা জিনিসপত্র কিনতেন সেখান থেকে। এখন আর কেউ আসছেন না সেভাবে। ফলে পরিস্থিতি বেশ অন্যরকম। কতটা পার্থক্য তৈরি হয়েছে? জবাবে বান্দ্রার ব্যান্ডস্ট্যান্ডের এক আইসক্রিম বিক্রেতা সংবাদমাধ্যমকে বললেন, ”বিরাট ফারাক তৈরি হয়েছে। এখন যে শাহরুখ এখানে থাকছেন না সেকথা জানতে পেরে গিয়েছে জনতা। আর তারপর থেকেই লোকজনের আসা কমে গিয়েছে।”

আরেক বিক্রেতা বলছেন, ”আগে লোক কেবল আসত না, এখানে থাকতও। এখন তো যেই জানতে পারছেন শাহরুখ নেই, অমনি অটো বা ট্যাক্সি ঘুরিয়ে তখনই এখান থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন।” তাঁর আক্ষেপ, ”শাহরুখ হ্যায় তো মন্নত হ্যায়। নেহি তো কুছ ভি নেহি হ্যায়।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *