শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার

শকুন্তলাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু রাজ্যের, সুদিন ফেরার আশায় পরিবার

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


সমাজের মূল স্রোতে ফিরতেই একদা মাও কমান্ডার শকুন্তলা মাহাতো ওরফে পুষ্পাকে স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করলো রাজ্য। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে নবান্ন থেকে আদেশনামা যাবে ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশের কাছে এমনটাই খবর রাজ্য পুলিশের তরফে।

ডবল ইঞ্জিন সরকারের মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ পুনর্বাসন নীতিতে প্যাকেজ বেশ নজরকাড়া। দেশকে মাওবাদ মুক্ত করতেই এই উদ্যোগ কেন্দ্রের। স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরির পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা, আবাসন বা গৃহনির্মাণ, সেই সঙ্গে বিবাহ সহ অন্যান্য খরচ বহন করবে কেন্দ্র। যদিও কমরেড ম্যারেজে তার স্বামী অতুল মাহাতোর মৃত্যু হয় স্কোয়াডেই। স্পেশাল হোমগার্ডের চাকরিতে ফি মাসে ১৩ থেকে ১৫ হাজারের মধ্যে মিলবে বেতন। আর এই প্যাকেজের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ির মেছুয়ার ওই কুড়মি পরিবার। কারণ বাম আমলে দু’বেলা ভরপেট খাবারের জন্য বিপথে পরিচালিত হয়ে বন্দুক তুলে নিয়েছিলেন শকুন্তলা। তারপর তৃণমূলের জমানায় নানান সামাজিক প্রকল্প থেকেও বঞ্চিত এই পরিবার। তাই রাজ্যের পালাবদলে বিজেপি সরকারের হাত ধরে জীবন বদলের স্বপ্ন দেখছে একদা ওই মাও পরিবারের সদস্যরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

আরও পড়ুন:

The state has initiated the process of appointing Shakuntala as a special home guard
আত্মসমর্পণকারী মাওবাদী কমান্ডার শকুন্তলা মাহাতোর কোলে মা হারা হনুমান শাবক

শকুন্তলার ভাই অমিয় মাহাতো বলেন, “ঘরে অভাবের জন্য দিদি সেই বাম আমলে ঘর ছেড়েছিল। তৃণমূলের জমানাতেও মায়ের আধার লিঙ্ক না হওয়ায় রেশন থেকে বঞ্চিত। অসুস্থ মা তাই তাকে কোথাও নিয়ে যেতে পারি না। দিদি আত্মসমর্পণ করেছে তাই বিজেপি সরকারের কাছে অনেক আশা আমাদের। এবার সুদিন ফিরবেই।” ঝাড়খণ্ডের সারান্ডা থেকে পালিয়ে ১০ লাখি এই মাও নেত্রীর আত্মসমর্পণে যেভাবে অতীতের সহযোদ্ধা রঞ্জিত পাল সমন্বয়কারী হন তা রীতিমত নজির। জঙ্গল জীবনে শকুন্তলা হাতে ইনসাস নিয়ে যে ভাবে শ্রেণীশত্রুর উপর রক্তচক্ষু দেখিয়েছেন। তার বিপরীত ছবিও ধরা পড়েছে ওই জঙ্গল লড়াইয়ে।

আত্মসমর্পণের পর রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গে আলাপচারিতায় উঠে এসেছে একদা মাও কমান্ডারের মাতৃত্ব। বন্যপ্রাণ প্রেম। সামনে এসেছে সেই ছবিও। জঙ্গলে ঝড়ে পড়ে যাওয়া পাখির যত্ন থেকে মা হারা হনুমান শাবককে কোলে তুলে বড় করে তোলা। মাও স্কোয়াডে এই সবই দেখেছেন সহযোদ্ধারা। মাওবাদীদের সাংস্কৃতিক কর্মসূচির পোষাকে শকুন্তলার কোলে হনুমান শাবকের ছবি রাজ্য পুলিশের হাত ধরে এখন প্রকাশ্যে।

আরও পড়ুন:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *