আপাতত তিনি বিশ্রামে। একটু ওয়ার্ম আপ করেন নেমে যাবেন মাঠে! থুড়ি ইকো পার্কে। লেকটাউনের সেই ‘বিখ্যাত’ লিওনেল মেসির মূর্তি নিয়ে এমনই পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের। শনিবার মেসির মূর্তি নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিধাননগরের বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
খানিক রসিকতার সুরে শারদ্বত বলেন, “এখনও অবধি মেসি শুয়ে রয়েছেন। রেস্ট নিচ্ছেন পিডব্লিউডি-তে। এরপর খানিকটা ওয়ার্ম আপ করিয়ে আমরা তাঁকে নিয়ে যাব ইকো পার্কে।” ওই মূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা সুজিত বোসকে কটাক্ষ করে তাঁর বক্তব্য, “বিশ্বকাপ আবহে সত্যিকারের মেসির মূর্তি বসালেই ভাল হত… যাই হোক।” আসলে মেসির মূর্তির নামে লেক টাউনে যেটি বসানো হয়েছিল, সেটা আদৌ মেসির মতো দেখতে কিনা, তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক-রসিকতা অতীতে হয়েছে। সেই বিতর্কই উসকে দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের মধ্যেই ওই মূর্তিটি ইকো পার্কে স্থাপন করার চেষ্টা চলেছে।
আরও পড়ুন:

প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বরে মেসির কলকাতা সফরে ভার্চুয়ালি ৭০ ফুটের মূর্তিটির উদ্বোধন করেন আর্জেন্টিনীয় ফুটবল তারকা। পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত, তাঁর তত্ত্বাবধানে ও উদ্যোগে মূর্তিটি তৈরি হয়। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই মূর্তির অবস্থা সঙ্গিন হয়ে যায়। হাওয়ায় দুলতে থাকে মূর্তিটি। যাতে বড়সড় কোনও বিপদ না হয়, তাই মূর্তিটি লেকটাউন থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, ওই মেসির মূর্তি এখন বাগুইআটির পিডব্লিউডি গুদামে রাখা হয়েছে।
দ্রুত সেটিকে ইকো পার্কে স্থাপন করা হবে। বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের ছোট ছোট নিদর্শন রয়েছে ইকো পার্কে। সঙ্গে প্রচুর ফাঁকা জায়গাও রয়েছে। সেই ফাঁকা জায়গায় মূর্তিটি বসানো হবে। তবে বসানোর আগে মূর্তিটি মেরামত করা হবে। যাতে কোনও বিপর্যয় না হয়। আপাতত ইকো পার্ক কর্তৃপক্ষের অনুমতির অপেক্ষায় সরকার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
