র‍্যাম্পে ‘ভূত’ হাঁটানো নিয়ে  অস্বস্তিতে বিজেপি! সংশোধন তত্ত্ব আওড়ালেন সুকান্ত

র‍্যাম্পে ‘ভূত’ হাঁটানো নিয়ে অস্বস্তিতে বিজেপি! সংশোধন তত্ত্ব আওড়ালেন সুকান্ত

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: এসআইআর তালিকায় জীবিতই হলেন ‘মৃত’। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এমন তিন ‘মৃত’ ভোটারকে রণসংকল্প সভার র‍্যাম্পে হাঁটান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনকে কড়া জবাব দেন তিনি। আর এই ঘটনায় বেজায় অস্বস্তিতে বিজেপি। তাই সেই অস্বস্তির সুরই শোনা গেল বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়।

রবিবার বিকালে পুরুলিয়ার বান্দোয়ানের মাংলা মাঠে পরিবর্তন সংকল্প সভায় ওই র‍্যাম্প নিয়ে অভিষেককে কটাক্ষ করেন সুকান্ত। বলেন, “তিনজনকে ওখানে হাজির করিয়েছেন। এটা তো ড্রাফট লিস্ট। ড্রাফট লিস্ট কেন বের করানো হয়, তা জানেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? ড্রাফট লিস্টে কারো যদি আপত্তি থাকে, যদি কোনও ভুল ধরা পড়ে তা হলে আপনারা সংশোধন করুন। সেই জন্যই তো ড্রাফট লিস্ট। এটা তো ফাইনাল লিস্ট নয়। যদি সংশোধন না হয়ে চূড়ান্ত তালিকা বেরয়, তখন অভিযোগ করতে বলবেন। এখন কেন অভিযোগ করছেন? জোর করে কেউ নাম কাটতে পারে না। নাম কাটলে তো আদালতে যাবেন।” কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সাংসদ অভিষেককে আক্রমণ করে আরও বলেন, “মঞ্চের মাঝে একটা লম্বা মতো জায়গা। ওই র‍্যাম্পে তো মডেল হাঁটেন। এখন উনি হাঁটছেন।” 

মগরাহাটে কয়েকদিন আগে বিশেষ পর্যবেক্ষক এস মুরুগানের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। সেই প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “রিপোর্ট দিয়ে কি হবে? ডিজিকে কান ধরে নিয়ে যাওয়া উচিত। সেই সঙ্গে ওই জেলার পুলিশ সুপারকেও কান ধরে তুলে নিয়ে যাওয়া উচিত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। এইরকমই নির্বাচন কমিশনের আদেশ দেওয়া উচিত।”

বিজেপি ক্ষমতায় আসলে থানার সামনে পুলিশ এবং তাদের গাড়ি ছাড়াও একটি করে হলুদ রঙের বুলডোজার থাকবে বলেও এদিনের সভা থেকে জানান সুকান্ত। তাঁর কথায়, “জঙ্গলমহল-সহ যে সমস্ত এলাকায় জায়গা দখল করে বাড়ি হয়েছে সেগুলো আমরা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেব।” বলে রাখা ভালো, সুকান্ত মজুমদারের আগে দলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক তথা পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো মন্তব্য করেন। বান্দোয়ান ব্লকের তৃণমূলের এক অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে জায়গা দখল করে নির্মাণের অভিযোগ তোলেন। বুলডোজার তত্ত্বও খাড়া করেছিলেন। আর সেই সূত্র ধরেই এমন মন্তব্য সুকান্তর। 

২৬-র ভোটে অশান্তি এড়াতে সোমবার থেকেই জেলাশাসকদের কাছে ফি সপ্তাহে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ওই রিপোর্ট সিইও দপ্তরের পাশাপাশি যাবে দিল্লির নির্বাচন কমিশনে। এই বিষয়ে কমিশনকে পরামর্শ দিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচন কমিশনের উচিত ভোটে কেউ যদি হিংসা করে তার পিঠের চামড়া তুলে নেওয়া। ” এদিন ভাঙড়ে অশান্তি নিয়েও তৃণমূলকে নিশানা করেন সুকান্ত।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *