রাজ চক্রবর্তীর গলা নকল করে টোপ! সিনেমার হিরো হতে গিয়ে টাকা খোয়ালেন যুবক

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


সিনেমার হিরো হতে গিয়ে সাইবার জালিয়াতির ফাঁদে পা! পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর গলা নকল করে সাইবার জালিয়াতির ফোন। অভিনেতা হতে ইচ্ছুক, এমন এক যুবকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিল জালিয়াতরা। দু’লক্ষ টাকা ওই যুবকের কাছ থেকে হাতানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সেগুলি পাঠানো হয়েছে সাইবার জালিয়াতদের তিনটি অ‌্যাকাউন্টে। পুলিশের ধারণা, এক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব‌্যবহার করে পরিচালকের নকল গলা তৈরি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

আবার এক নামী প্রযোজনা সংস্থার ভুয়ো ফেসবুক পেজ তৈরি করে সাইবার জালিয়াতরা সিনেমায় সুযোগ তৈরি করিয়ে দেওয়ার নাম করে টোপ দেয়। সম্প্রতি এই ব‌্যাপারে দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণী থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় ব‌্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সন্ধান চলছে সাইবার জালিয়াতদের। পুলিশ জানিয়েছে, সিনেমায় অভিনয় করতে ইচ্ছুক, এমন এক যুবক ফেসবুক ঘাঁটতে গিয়েই একটি নামী প্রযোজনা সংস্থার নামে তৈরি করা পেজ দেখতে পান।

আরও পড়ুন:

সেখানে বলা আছে, একটি ঐতিহাসিক চরিত্রর আদলে সিনেমা তৈরি হচ্ছে। যুবক যোগাযোগ করলে তাঁকে একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে বলা হয়, সেটি পরিচালকের মোবাইল নম্বর। তিনি যেন যোগাযোগ করেন। যুবক ফোন করার পর উল্টোদিক থেকে এক ব‌্যক্তি নিজেকে পরিচালক বলে পরিচয় দেয়। যুবক বুঝতেও পারেননি যে, পরিচালক বলে যে ব‌্যক্তি কথা বলছে, সে আসলে সাইবার জালিয়াত। সে যুবককে বলে, এনরোলমেন্ট করার জন‌্য ৩০ হাজার টাকা দিতে হবে। তিনি নিজের অ‌্যাাকউন্ট থেকে সুমিত কুমার নামে একজনের অ‌্যাকাউন্টে ৩০ হাজার টাকা পাঠান। পরের দিন ওই পরিচালকের নামে ওই সাইবার জালিয়াত যুবককে জানায়, প্রোফাইল শু‌ট করা হবে।

সেজন‌্য তাঁকে ৯২ হাজার টাকা দিতে হবে। পুরো ব‌্যাপারটি বিশ্বাসযোগ‌্য তৈরি করতে ওই নামী প্রযোজনা সংস্থার একাধিক ভুয়ো নথি হোয়াটসঅ‌্যাপে পাঠানো হয়। এমনকী, ওই নতুন সিনেমায় ভালো চরিত্রে অভিনয়ের জন‌্য হোয়াটসঅ‌্যাপে চুক্তিপত্রও পাঠানো হয়। ওই ৯২ হাজার টাকা তিনি ৫০ হাজার টাকা ও ৪২ হাজার টাকায় ভাগ করে শুভজিৎ ও অজিতা নামে দু’জনের অ‌্যাকাউন্টে পাঠান। এরপরের দিনই তাঁকে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রোফাইল শুটের জন‌্য ফের ৮৫ হাজার টাকা পাঠাতে বলা হয়। তিনি বিশ্বাস করে ফের শুভজিতের অ‌্যাকাউন্টে ৮৫ হাজার টাকা পাঠান। এরপরও টাকা পাঠাতে বলা হলে সন্দেহ হয়। পরিচিতদের সঙ্গে আলোচনা করে বুঝতে পারেন, এর পিছনে রয়েছে বড় সাইবার জালিয়াতি চক্র। চক্রের সদস‌্যরাই পরিচালকের গলা নকল করে ফোনে কথা বলছে। যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ব‌্যাঙ্ক অ‌্যাকাউন্ট ও মোবাইলের সূত্র ধরে সাইবার জালিয়াতদের শনাক্ত করার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *