ভোট ঘোষণার পর থেকে বাংলায় একের পর এক আধিকারিক বদল। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই অভিযোগ। এবার এই অভিযোগে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই আইপিএস, আইএএসদের বদলি করা হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে মামলায় পার্টি করার আবেদনও করা হয়েছে। আগামী সোমবার মামলার শুনানির সম্ভাবনা।
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিকভাবে কাম্য।]
