মেসির গায়ে শুকোচ্ছে লেপ-কাঁথা-কম্বল! বিশ্বকাপের মাঝে এ কী অবস্থা সেই ‘বিখ্যাত’ মূর্তির

মেসির গায়ে শুকোচ্ছে লেপ-কাঁথা-কম্বল! বিশ্বকাপের মাঝে এ কী অবস্থা সেই ‘বিখ্যাত’ মূর্তির

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


বিশ্বকাপের উন্মাদনা তুঙ্গে। প্রতিপক্ষকে গোলের বন্যায় ভাসাচ্ছেন লিওনেল মেসি। সেটা অবশ্য আমেরিকায়। পশ্চিমবঙ্গে তিনি এখন ‘বিশ্রামে’। তার পরনে এখন আর নীল-সাদা জার্সি নয়। সম্পূর্ণ কালো ‘পোশাক’। তার উপর বিভিন্ন রঙের লেপ-কাঁথা-কম্বল।

কী বুঝলেন না তো? কথা হচ্ছে কলকাতার সেই ৭০ ফুটের মেসি মূর্তিটা নিয়ে। যা প্রথমে ছিল লেকটাউনের মোড়ে। কিন্তু তা ভেঙে পড়ার বিপদ ছিল। তাই সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বাগুইআটির পিডব্লুডি গুদামে। না, গুদাম মানে ঠিক বন্ধঘর নয়। তা রাখা হয়েছে খোলা আকাশের নীচে। তবে কালো প্লাস্টিকে সম্পূর্ণ মুড়িয়ে রাখা হয়েছে। আর তার উপর রাখা লেপ-কাঁথা-কম্বল। চড়া রোদে সেগুলো শোকানো হচ্ছে। যে মেসিকে বিপক্ষ ডিফেন্ডাররা বন্দি করতে পারেন না। তিনিই কি না কালো প্লাস্টিক ও লেপ-কাঁথা জড়িয়ে পড়ে আছেন বাগুইআটিতে। 

আরও পড়ুন:

তবে এখানে এভাবে সম্ভবত বেশিদিন থাকতে হবে না মেসি মূর্তিটিকে। কারণ, দ্রুত সেটিকে ইকো পার্কে স্থাপন করা হবে। বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের ছোট ছোট নিদর্শন রয়েছে ইকো পার্কে। সঙ্গে প্রচুর ফাঁকা জায়গাও রয়েছে। সেই ফাঁকা জায়গায় মূর্তিটি বসানো হবে। শনিবার মেসির মূর্তি নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিধাননগরের বিধায়ক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তবে বসানোর আগে মূর্তিটি মেরামত করা হবে। যাতে কোনও বিপর্যয় না হয়। আপাতত ইকো পার্ক কর্তৃপক্ষের অনুমতির অপেক্ষায় সরকার।

Lionel Messi's statue is wrapped in black cloth in Baguiati
মেসির মূর্তি। যা ছিল, যা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বরে মেসির কলকাতা সফরে ভার্চুয়ালি ৭০ ফুটের মূর্তিটির উদ্বোধন করেন আর্জেন্টিনীয় ফুটবল তারকা। পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত, তাঁর তত্ত্বাবধানে ও উদ্যোগে মূর্তিটি তৈরি হয়। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই মূর্তির অবস্থা সঙ্গিন হয়ে যায়। হাওয়ায় দুলতে থাকে মূর্তিটি। যাতে বড়সড় কোনও বিপদ না হয়, তাই মূর্তিটি লেকটাউন থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *