এই মুহূর্তে চর্চা লিওনেল মেসি এবং লামিনে ইয়ামালকে নিয়ে। দুই প্রজন্মের দুই তারকা রবিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি। এর মধ্যেই ভাইরাল ১৮ বছর আগের এক ছবি। যেখানে শিশু ইয়ামালকে স্নান করাচ্ছেন এলএম১০। অতীতের সেই দিনে তিনি কি কল্পনাও করতে পেরেছিলেন, একদিন সেই পুঁচকে শিশু বিশ্বকাপের ফাইনালে তাঁর সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবেন?
ফ্ল্যাশব্যাকে গেলে দেখা যাবে, বার্সেলোনার প্রাক্তনী মেসি আর বর্তমান ইয়ামালের ছবি। যেখানে বছর কুড়ির মেসি বাথটবে বসিয়ে স্নান করাচ্ছেন শিশু ইয়ামালকে। দুই তারকার দেখা হয়েছিল সেই ২০০৮ সালে। ইউনিসেফের বার্ষিক চ্যারিটি অনুষ্ঠানের অংশ হিসাবে শিশু ইয়ামাল এবং তার পরিবারের সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন মেসি। অনেকেই বলেন, মেসির আশীর্বাদধন্য ইয়ামাল। তাঁরা কখনও দেশ বা ক্লাবের জার্সিতে একে অপরের বিপক্ষে খেলেননি। প্রায় দু’দশক আগে ইয়ামাল তখন মাত্র কয়েক মাসের শিশু। উল্লেখ্য, মেসির যাত্রা শুরু হয়েছিল বার্সেলোনার অ্যাকাডেমি লা মাসিয়া থেকেই। অন্যদিকে, এই অ্যাকাডেমিরই আরেক সেরা ‘ফসল’ ইয়ামাল।
আরও পড়ুন:
ছবিটি তুলেছিলেন আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট। তিনি জানান, সে সময় সংবাদ সংস্থা ‘এপি’র হয়ে কাজ করতেন। বার্সার ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু-তে একটি চ্যারিটি ফটোশুটের অংশ হিসাবে পুরো দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানেই এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি হয়। মনফোর্টের কথায়, “মেসির তখন মাত্র ২০ বছর বয়স। ভীষণ লাজুক ছিল। লকার রুমে নিয়ে গিয়ে যখন ওর সামনে জলভর্তি বাথটাবে একটি শিশুকে বসানো হল, তখন প্রথমে বুঝতেই পারছিল না কীভাবে তাকে কোলে নেবে বা স্নান করাবে।”
সময়ের সঙ্গে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। সেই শিশুই আজ বার্সেলোনা ও স্পেনের অন্যতম বড় ভরসা। এবারের বিশ্বকাপে মাত্র একটি গোল করলেও গতি দিয়ে প্রতিপক্ষকে বারবার চাপে ফেলেছেন ইয়ামাল। সেমিফাইনালেও ফ্রান্সের বিরুদ্ধেও ছিলেন নজরকাড়া। অন্যদিকে, ৩৯ বছর বয়সেও মেসি অনবদ্য। এবারের বিশ্বকাপে ৮টি গোল করেছেন। করিয়েছেন আরও চারটি। সোনার বুট ও সোনার বল, দুই পুরস্কারের দৌড়েই রয়েছেন তিনি। তবে বিশ্বকাপ জয়ের শেষ ধাপে মেসির সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন সেই ইয়ামাল। যাঁকে ১৮ বছর আগে নিজের হাতে স্নান করিয়েছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
