বোন মারা গিয়েছে। অথচ তাঁর ব্যাঙ্কে পড়ে রয়েছে ১৯ হাজার টাকা। সেই টাকা পেতে ব্যাঙ্কে হত্যে দিয়ে পড়ে থেকেও কাজ হয়নি। শেষে বোনের মৃত্যুর প্রমাণস্বরূপ তাঁর কঙ্কাল নিয়ে ব্যাঙ্কে হাজির হয়েছিলেন ভাই। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয় বিতর্ক। গোটা ঘটনায় এবার মুখ খুলল ব্যাঙ্ক। জানানো হয়, ‘ওই ব্যক্তির প্রাপ্য টাকা তাঁকে ফেরত দেওয়া হয়েছে।’
ঘটনার সূত্রপাত দিনকয়েক আগে। যে ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল সেখানে দেখা যায়, রোদের মধ্যে প্রায় তিন কিলোমিটার হেঁটে ব্যাঙ্কে এসেছেন জিতু এক ব্যক্তি। তাঁর কাঁধে কাপড়ে জড়ানো রয়েছে একটি কঙ্কাল। সেটি তাঁর বোন কাকরা মুন্ডার। ইন্ডিয়ান ওভারসিস ব্যাঙ্কের গ্রাহক ছিলেন কাকরা। মাস দু’য়েক আগে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। কাকরার স্বামী ও সন্তানের আগেই মৃত্যু হওয়ায় ব্যাঙ্কে তাঁর জমা রাখা অর্থের দাবিদার ছিলেন ভাই জিতু। ব্যাঙ্কে তাঁর জমানো টাকার পরিমাণ ছিল ১৯৪০২ টাকার কিছু বেশি। তবে সেই টাকা তুলতে রীতিমতো হয়রানির শিকার হতে হয় জিতুকে।
আরও পড়ুন:
কাকরার স্বামী ও সন্তানের আগেই মৃত্যু হওয়ায় ব্যাঙ্কে তাঁর জমা রাখা অর্থের দাবিদার ছিলেন ভাই জিতু। ব্যাঙ্কে তাঁর জমানো টাকার পরিমাণ ছিল ১৯৪০২ টাকার কিছু বেশি। তবে সেই টাকা তুলতে রীতিমতো হয়রানির শিকার হতে হয় জিতুকে।
অভিযোগ প্রথমে ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়, টাকা নেওয়ার জন্য হোল্ডারকে আসতে হবে। অথচ হোল্ডার কাকরার আগেই মৃত্যু হয়েছে। এরপর ব্যাঙ্ক জানায় তাঁর ডেথ সার্টিফিকেট আনতে হবে, আনতে হবে উত্তরাধিকার প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। এইসব ঝক্কির মাঝেই পড়ে শেষে কবর খুঁড়ে বোনের মৃতদেহ তুলে আনেন জিতু। এবং তা নিয়ে হাজির হন ব্যাঙ্কে। এই ঘটনা দেখে রীতিমতো আঁতকে ব্যাঙ্ককর্মীরা। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাঙ্ক কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়িত্বহীনতার অভিযোগ ওঠে। তবে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে অবশেষে এই ইস্যুতে মুখ খোলে ব্যাঙ্ক।
Reported Incident at Odisha Grameen Financial institution of claimant bringing sister’s skeleton for dying declare course of.
We want to submit that, at this time the Authorities Authorities have issued the Dying Certificates and Authorized Inheritor Certificates. Instantly on receipt of those paperwork, Financial institution…
— Indian Abroad Financial institution (@IOBIndia) April 28, 2026
এক্স হ্যান্ডেলে ব্যাঙ্কের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তি মদ্যপ ছিলেন। ব্যাঙ্কের তরফে মৃত ব্যক্তিকে সশরীরে উপস্থিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে যে দাবি করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। ব্যাঙ্ক নিয়ম অনুযায়ী, টাকা তোলার ক্ষেত্রে যা যা পদক্ষেপ করার জরুরি সেই নির্দেশই দিয়েছিল। এবং সেই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৃতের অ্যাকাউন্টে থাকা ১৯,৪০২ টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
