মৃত্যুমুখ থেকে নতুন জীবন! হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন ড্যামিয়েন মার্টিন

মৃত্যুমুখ থেকে নতুন জীবন! হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন ড্যামিয়েন মার্টিন

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মৃত্যুমুখ থেকে নতুন জীবন! হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার ড্যামিয়েন মার্টিন। ৩১ ডিসেম্বর মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে কোমায় চলে যান তিনি। তাঁর অসুস্থতার খবরে উদ্বেগে ছিল ক্রিকেটবিশ্ব। অবশেষে সুখবর। প্রাক্তন সতীর্থদের মতে, যে আশঙ্কাজনক অবস্থা ছিল, সেখান থেকে এই ‘প্রত্যাবর্তন’ যেন ‘মিরাক্যাল’।

৫৪ বছর বয়সি প্রাক্তন ক্রিকেটার সম্প্রতি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বক্সিং ডে অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হন তিনি। দ্রুত তাঁকে গোল্ড কোস্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত বছরের একেবারে শেষ দিনে জানা যায়, তিনি কোমায় চলে গিয়েছেন। তারপর থেকে নিরন্তর প্রার্থনা করে গিয়েছেন ভক্তরা। সব সময় পাশে ছিল মার্টিনের পরিবার ও প্রাক্তন সতীর্থরা। ৪ জানুয়ারি ড্যামিয়েন মার্টিনের পরিবার থেকে জানানো হয়, তিনি কোমা থেকে জেগে উঠেছেন।

প্রাক্তন সতীর্থ অ্যাডাম গিলক্রিস্ট অস্ট্রেলিয়ার একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, “মার্টিন কথা বলা শুরু করেছে। ওর পরিবারের কাছে গোটা বিষয়টা ‘মিরাক্যালে’র মতো। আমি ওর স্ত্রী আমান্ডার সঙ্গে কথা বলেছি। ও মনে করে এত ভালোবাসা ও প্রার্থনার জোরেই মার্টিন সুস্থ হয়ে উঠছে। কিন্তু ও যেভাবে মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে এল, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য।”

বৃহস্পতিবার মার্টিনের হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার খবরটি নিশ্চিত করেছেন গিলক্রিস্ট। অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, “অগণিত ভক্তদের ভালোবাসা এবং প্রার্থনায় ও আজ বাড়ি ফিরছে। এর জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে চিকিৎসক এবং চিকিৎসা কর্মীদেরও ধন্যবাদ। তাঁদের তৎপরতায় সংক্রমণকে অঙ্কুরেই নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া গিয়েছে। মার্টিনের শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হতে এখনও সময় লাগবে। তিনি এখন চিকিৎসাধীন থাকবেন। তবে সব মিলিয়ে এটা দারুণ খবর।”

প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার মার্ক ওয়া মার্টিনের প্রত্যাবর্তনকে ‘অলৌকিক’ বলেছেন। তাঁর কথায়, “এটা সত্যিই মিরাক্যাল। আইসিইউতে ওকে দেখতে খুবই খারাপ লাগছিল। তবে প্রাণঘাতী রোগের সঙ্গে লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছে মার্টিন।” উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেক হয় মার্টিনের। ২০০৬ পর্যন্ত ব্যাগি গ্রিন টুপি পরেছেন। ৬৭ টেস্টে তাঁর রান সংখ্যা ৪৪০৬। সেঞ্চুরি আছে ১৩টি। অন্যদিকে ২০৮টি ওয়ানডেতে রান করেছেন ৫৩৪৬। সেঞ্চুরি ৫টি। ২০০৩ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভাঙা আঙুলে ৮৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতের হাত থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই বিশ্বকাপ তো বটেই, তার আগে ১৯৯৯ সালের অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ২০০৬ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দলেও ছিলেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *