মুস্তাফিজুর ইস্যুতে আসরে জয় শাহ, বাংলাদেশের ভারতে না খেলার ‘আবদার’ মানবে না আইসিসি!

মুস্তাফিজুর ইস্যুতে আসরে জয় শাহ, বাংলাদেশের ভারতে না খেলার ‘আবদার’ মানবে না আইসিসি!

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুস্তাফিজুর রহমান বিতর্কে ইতিমধ্যে আগামী মাসে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না আসার দাবি তুলে আইসিসিকে ই মেল করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যে ই মেলে তারা জানায় যে, ভারতের বদলে তাদের ম‌্যাচ শ্রীলঙ্কায় দেওয়া হোক। কেন্দ্র পরিবর্তন করা হোক। কিন্তু বাংলাদেশ বোর্ডের দাবিতে সম্মতি না-ও দিতে পারে আইসিসি। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা বরং বাংলাদেশ বোর্ডকে অনুরোধ করতে পারে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতেই বিশ্বকাপের ম‌্যাচ খেলতে। অন্তত পরিস্থিতি সেদিকেই গড়াচ্ছে।

সোমবার আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ-সহ আইসিসির কয়েক জন কর্তা মুম্বইয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সদর দপ্তরে গিয়ে উদ্ভূত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন। জানা যাচ্ছে, বিসিসিআই কর্তারা বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের অধিকার হাতছাড়া করতে নারাজ। ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের যুক্তি, শেষ মুহূর্তে কেন্দ্র পরিবর্তন করতে হলে নানাবিধ লজিস্টিক‌্যাল ঝামেলার মুখে পড়তে হয়। যা গোটা টুর্নামেন্টকে প্রভাবিত করবে। যা আইসিসিও চাইছে না। আইসিসি কী করবে, এখনও সরকারি ভাবে জানায়নি। তবে খবর হল, বাংলাদেশ বোর্ডকে তারা অনুরোধ করবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতেই তাদের তিনটে ম‌্যাচ খেলতে।

ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ঘটনাচক্রে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো পড়েছে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে। অর্থাৎ কেকেআরের ঘরের মাঠে। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে রাজি নয় বাংলাদেশ বোর্ড। ইউনুস সরকারের চাপে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড। এখন আইসিসি যদি বাংলাদেশকে সরকারিভাবে জানিয়ে দেয়, ম্যাচ সরানো সম্ভব নয় তাহলে তাঁদেরও বিশেষ কিছু করার থাকবে না।
এখন যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে বাংলাদেশের দাবি মানল না আইসিসি। অন্যদিকে বিসিবি’ও নিজের সিদ্ধান্তে অটল রইল। সেক্ষেত্রে ওই ম্যাচগুলির সূচি বদলানো হবে না। ম্যাচের দিন দল না নামানোয় বাংলাদেশ পয়েন্ট পাবে না। অর্থাৎ তারা ওয়াকওভার দিয়েছে। বাকি দলগুলোকে জয়ী হিসেবে পয়েন্ট দেওয়া হবে। এর আগে ২০০৩-র বিশ্বকাপে জিম্বাবোয়ে যেতে রাজি না হওয়ায় ওয়াকওভার দিয়েছিল ইংল্যান্ড। আর একটা সম্ভাবনা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরে গেলে অন্য দলকে নিয়ে নেওয়া হবে। যেমন ২০১৬ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া খেলতে না যাওয়ায় সেই জায়গায় আয়ারল্যান্ডকে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপে ২০টি দল খেলছে। এর বাইরে স্কটল্যান্ড বা জার্সির মতো দল ছাড়া ক্রিকেট খেলা দেশ সেভাবে নেই। ফলে আইসিসি কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটাই এখন দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *