‘মারধর করত স্বামী প্রবাহ, চিন্তা হত মেয়েকে ওঁরা মেরে ফেলল না তো!’ ডুঁকরে উঠলেন দেবলীনার মা

‘মারধর করত স্বামী প্রবাহ, চিন্তা হত মেয়েকে ওঁরা মেরে ফেলল না তো!’ ডুঁকরে উঠলেন দেবলীনার মা

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করতেই হবে! হয় মা, নয় সংসার…’, স্বামী প্রবাহর তরফে আসত লাগাতার মানসিক চাপ। আর সেই যন্ত্রণা সইতে না পেরেই আত্মহননের পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন দেবলীনা নন্দী। সোশাল মিডিয়াময় রঙিন দাম্পত্যযাপনের ভিড়। নিত্যদিনের ভ্লগ দেখলে বোঝা দায়, এই হাসিখুশি চেহারার অন্তরালে চাপা পড়ে রয়েছে কতটা জমাট বাঁধা কান্না! সম্প্রতি ফেসবুক লাইভে এসে নিজের কষ্টের কথা ভাগ করে নিয়েছিলেন দেবলীনা। কিন্তু তারপরই যে এহেন চরম সিদ্ধান্তের দিকে নিজেকে ঠেলে দেবেন, সেটা বোধহয় স্বপ্নেও কল্পনা করেননি তাঁর অনুরাগীরা। দাম্পত্যজীবনে কতটা যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছিল দেবলীনা নন্দীকে? এবার মুখ খুললেন তাঁর মা।

সংবাদমাধ্যমের কাছে দেবলীনা নন্দীর মা জানান, গত আগস্ট মাসেই শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল তাঁর মেয়েকে। শুধু তাই নয়, শাশুড়িই ‘সেপারেশনে থাকা’র নিদান দিয়েছিলেন। অশালীন মন্তব্যের শিকার হতে হয়েছিল শ্বশুরের তরফেও। যিনি বউমা দেবলীনাকে বলেছিলেন, ‘তুমি কি শুধু শুতে আসবে নাকি? ওসব চলবে না।’ এতকিছুর পরও মেয়ের সংসার ভাঙার ভয়ে কোনও প্রতিবাদ করেননি বলে জানালেন গায়িকার মা। বিয়ের পর থেকেই কি শারীরিক, মানসিক নির্যাতনের শিকার দেবলীনা?

মায়ের সঙ্গে দেবলীনা (ছবি- সংগৃহিত)

কান্না বোজা গলায় তিনি জানালেন, দেবলীনাকে প্রচুর মারধর করা হত। কিন্তু তবুও কোনওদিন পুলিশে অভিযোগ জানাতে চাননি তিনি। কেন? এপ্রসঙ্গে সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার তথা গায়িকার মত ছিল, সকলে ইন্ডাস্ট্রির মেয়েদের অন্য নজরে দেখে। তাই সংসার ছেড়ে বেরিয়ে আসলে সবাই তাঁকেই খারাপ ভাববে। সমাজ কী বলবে? সেই ভয়ে ভালোবেসে বিয়ে করা প্রবাহকে ছেড়ে আসতে চাননি দেবলীনা। তাঁর মায়ের মন্তব্য, ‘মেয়ে ফোন না ধরলেই চিন্তা হত, ওকে ওরা মেরে ফেলল না তো!’ এখানেই অবশ্য শেষ নয়! মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে অপমানিতও হতে হয়েছে তাঁকে বারংবার। দেবলীনার মায়ের অভিযোগ, বিভিন্ন সময়ে তাঁকে ‘ভিখিরির বাচ্চা’ বলে কটুক্তি করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে দেবলীনা আবারও প্রবাহর সঙ্গে থাকবেন কিনা, সেই সিদ্ধান্ত মেয়ের উপরই ছেড়ে দিয়েছেন তাঁর মা। তবে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পর নেটপাড়া তোলপাড় হলেও দেবলীনার পাইলট স্বামী কিংবা তাঁর পরিবারের লোকজন এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ নেননি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *