মাঘী পূর্ণিমার আগে মহাকুম্ভের ট্রাফিক সামলাতে প্রস্তুত প্রশাসন, লাগু নয়া নিয়ম

মাঘী পূর্ণিমার আগে মহাকুম্ভের ট্রাফিক সামলাতে প্রস্তুত প্রশাসন, লাগু নয়া নিয়ম

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


হেমন্ত মৈথিল: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থস্থান মহাকুম্ভে ভিড়ের চাপ বেড়েই চলেছে ক্রমশ। বিপুল জনসমাগমের জেরে সম্প্রতি ৩০০ কিলোমিটারের দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যামও দেখে ফেলেছে বিশ্ব। আগামী বুধবার রয়েছে মাঘী পূর্ণিমা। তার আগে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কোমর বেঁধে নামল যোগী সরকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে নয়া নিয়ম লাগুর পাশাপাশি শীর্ষ আধিকারিকদের নিযুক্ত করা হয়েছে। প্রবল ভিড়ের জেরেই এই ট্রাফিক সমস্যা বলে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের ডিজিপি প্রশান্ত কুমার।

বিরাট ভিড়ের চাপ সামাল দিতে মঙ্গলবার ভোর ৪টে থেকে নয়া নিয়ম লাগু হয়ে গিয়েছে প্রয়াগরাজে। নতুন নিয়মে, মেলা চত্বরে কোনও গাড়ি প্রবেশ করানো যাবে না। দুই চাকা থেকে চার চাকা সমস্ত গাড়িতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গোটা প্রয়াগরাজে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নেমে পড়েছেন পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকরা। এখানে আসা গাড়িগুলির পার্কিংয়ের ক্ষেত্রেও লাগু হয়েছে নয়া নিয়ম। সরকার জানিয়ে দিয়েছে, আজ থেকে বিকেল ৫টার পর শহরের বাইরের জেলা বা রাজ্য থেকে আসা কোনও গাড়িকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। মাঘী পূর্ণিমার নির্দিষ্ট তিথি শেষ না হওয়া পর্যন্ত লাগু থাকবে এই নিয়ম।

মহাকুম্ভে ব্যাপক ট্রাফিক সমস্যা প্রসঙ্গে রাজ্যের ডিজিপি প্রশান্ত কুমার বলেন, “ইতিমধ্যেই ৪০ কোটি মানুষ ডুব দিয়েছেন ত্রিবেণী সঙ্গমে। বিপুল মানুষের ভিড় ও গাড়ির ফলে তৈরি হওয়া এই ট্রাফিক সমস্যা সামাল দেওয়া যে কোনও প্রশাসনের কাছেই কঠিন। যত নিখুঁত ব্যবস্থাই করা হোক না কেন বর্তমান পরিস্থিতিতে তা কম পড়ে যায়। এই অবস্থায় ট্রাফিকের সমস্যা খুব স্বাভাবিক বিষয়। এটাকে কোনওভাবেই প্রশাসনের ব্যর্থতা বলা যায় না। এর মূল কারণ হল, অত্যধিক পুণ্যার্থীর ভিড়।” পুলিশকর্তা আরও বলেন, “পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রত্যেক পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন। পুণ্যার্থীদের সব রকম সহায়তা করা হচ্ছে। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কোনও খামতি রাখা হয়নি। তবে বিপুল পুণ্যার্থীর এই ভিড় সামলানো অতিমানবীয় কাজ। তারপরও আমাদের পুলিশকর্মীরা, ধৈর্য ধরে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন এটা প্রশংসনীয়।”

পুলিশকর্তার দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক মানুষের ভিড় জমা হয়েছে প্রয়াগরাজে। তবে বিরাট ট্রাফিক জ্যাম সত্ত্বেও সোমবার বিকেল থেকে ধীরে ধীরে ট্রাফিক স্বাভাবিক হয়েছে। যা প্রমাণ করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ অবিশ্রাম কাজ করে চলেছে। ফলে শুধু সমালোচনা না করে আমাদের পুলিশবাহিনী কীভাবে অভূতপূর্ব নিষ্ঠার সঙ্গে এই ঐতিহাসিক সমাবেশকে সফল করার উদ্দেশে কাজ করছেন সেটাও দেখতে হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *