মরক্কোয় ইউনুসের উপদেষ্টার ব্য়াগ থেকে উদ্ধার  AK-47 রাইফেলের গুলি, কী সাফাই নেতার?

মরক্কোয় ইউনুসের উপদেষ্টার ব্য়াগ থেকে উদ্ধার AK-47 রাইফেলের গুলি, কী সাফাই নেতার?

জ্যোতিষ খবর/ASTRO
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মরক্কোর বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকরারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার ব্য়াগ থেকে উদ্ধার গুলি ভর্তি ম্য়াগাজিন। শেখ হাসিনা পরবর্তী বাংলাদেশ যে সন্ত্রাসবাদীদের আখড়া হয়ে উঠেছে তার প্রমাণ বারবার মিলেছে। খোদ সরকারের এক উপদেষ্টার ব্য়াগ থেকে এই ধরনের জিনিস উদ্ধারের ঘটনায় বিতর্ক আরও উসকে উঠেছে। এনিয়ে মহম্মদ ইউনুসের সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। এদিকে, নিজের স্বপক্ষে সাফাই গেয়েছেন সজীবও।

জানা গিয়েছে, মরক্কোর মারাকেশে অনুষ্ঠিত ‘ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রামে’ অংশ নিতে গতকাল রবিবার ভোরে সজীব ঢাকার মাহমুদ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশ ছাড়েন। ঢাকায় বিষয়টি ধরা না পড়লেও মরক্কোর বিমানবন্দরে স্ক্যানিংয়ের সময় তাঁর ব্যাগে ম্যাগাজিনটি উদ্ধার হয়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বিতর্ক হতেই রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন ইউনুসের যুব এবং ক্রীড়া মন্ত্রকের উপদেষ্টা।



তিনি লেখেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে আমার কাছে লাইসেন্স করা বৈধ অস্ত্র আছে। গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে দেওয়ায় যেভাবে হত্যাচেষ্টা চালানো হয়েছে কয়েক দফা তাতে রাখাটাই স্বাভাবিক। যখন সরকারি প্রটোকল বা সিকিউরিটি থাকে না, তখন নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য় অস্ত্র রাখি। মরক্কোর মারাকেশে অনুষ্ঠিত ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের জন্য ভোর ৬টা ৫০ মিনিটে ফ্লাইট ছিল। ভোরে প্যাকিং করার সময় অস্ত্র-সহ একটা ম্যাগাজিন রেখে এলেও ভুলবশত আরেকটি ম্যাগাজিন ব্যাগেই রয়ে যায়। যেটা স্ক্যানে আসার পর আমার প্রটোকল অফিসারের কাছে হস্তান্তর করে আসি। বিষয়টি সম্পূর্ণ আনইন্টেনশনাল। শুধু ম্যাগাজিন দিয়ে আমি কী করব ভাই? ইন্টেনশন থাকলে অবশ্যই অস্ত্র রেখে আসতাম না। এখানে অবৈধ কিছু না থাকলেও অনেকের জন্যই এটা আলোচনার খোঁড়াক (খোরাক) বটে।’

এই নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন হাসিনার পুত্র জয়। সোশাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। যেখানে দাবি করেন, ‘বিমানবন্দরে তল্লাশির সময়ের একটি ইউনুস সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ব্যাগ থেকে গুলি-সহ AK-47 অ্যাসল্ট রাইফেলের ম্যাগাজিন পাওয়া গিয়েছে। বাংলাদেশে সাধারণ নাগরিকদের জন্য AK-47 রাখা অবৈধ। তাহলে মন্ত্রী পদমর্যাদার একজন প্রতিবাদী নেতা কীভাবে এমন একটি অস্ত্রের ম্যাগাজিন এবং গুলি রাখেন যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ছাড়া অন্য কারও জন্য অবৈধ?’ 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ






Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *