মধ্যরাতে জাতীয় সড়কের পাশে ধাবায় আচমকা হাজির অরিজিৎ, কার সঙ্গে নৈশভোজে গায়ক?

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


আরব সাগরের ঢেউয়ের শব্দে ভাঙতে পারত ঘুম। আকাশছোঁয়া ফ্ল্যাটের ব্যালকনি থেকে আলোকঝলমলে বাণিজ‌্যনগরীকে মায়াবী নেশায় কাটাতে পারতেন সন্ধ্যাগুলো। ইচ্ছে হলেই রাজার মতো সেখানেই থেকে যেতে পারতেন। কিন্তু পারলেন কই? মন যে পড়ে থাকে ভাগীরথীর পাড়ে, জিয়াগঞ্জের সেই চেনা গলিতে। যেখানে মাটির গন্ধ আছে, উঠোনে রোদ পড়ে, আর মায়ের হাতের ডালের গন্ধে মন ভরে যায়। তাই সব কাজ ফেলে আবার ফিরলেন। তিনি সংগীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। কোনও ঘোষণা নেই, কোনও ঢাকঢোল নেই। বৃহস্পতিবার মধ্য়রাতে জাতীয় সড়কের পাশে একটি ধাবায় আচমকা হাজির অরজিৎ সিং।

১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে অবস্থিত নবগ্রামের পাপ্পু ধাবায় নৈশ ভোজের উদ্দেশে যান গায়ক। সঙ্গে ছিলেন তার পাড়ারই বন্ধু। তাঁকে দেখেই সেখানে উপস্থিত সকলের মোবাইলের ক্যামেরার ফ্ল্যাশের ঝলকানি। অরিজিৎ সিংয়ের মতো একজন গায়ক, যাঁর কণ্ঠের জাদুতে আচ্ছন্ন আসমুদ্রহিমাচল, যাঁর কনসার্টের টিকিটের মূল্য আঠারো লক্ষ তিনি তো একেবারে মাটির মানুষ! অরিজিতের চরিত্রের এই বৈশিষ্ট্য বারবার মুগ্ধ করে ভক্তদের।

আরও পড়ুন:

Arijit Singh releases first independent song
অরিজিৎ সিং। ছবি- ইনস্টাগ্রাম

অনাড়ম্বর জীবনযাপনের মতো খাওয়াদাওয়াতেও নেই কোনও বিলাসিতা। পাঁচতারা হোটেলের বদলে রাস্তার ধারের ধাবাতেও স্বচ্ছন্দ্য অরিজিৎ। তাঁর এই সাদামাটা ইমেজটাই শুধু একজন শিল্পী হিসেবে নয় মানুষ হিসেবেও তাঁকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। অতিরঞ্জিত কোনও কিছুই পছন্দ করেন না অরিজিৎ। তাঁর উপস্থিতিতে কার্যত এটা স্পষ্ট। এদিনও ক্যাজুয়েল লুকেই ধাবায় এসেছিলেন অরজিৎ। ধূসর রঙের টিশার্ট আর ঘিয়ে রঙের প্যান্টে জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্র অরিজিৎ সিং যেন পাশের বাড়ির ছেলে।

Arijit Singhs surprise visit to family restaurant Henshel
‘হেঁশেল’-এ সেলফিতে মজেছিলেন অরিজিৎ।

দিন দুয়েক আগে এক দুপুরে হলুদ পাজামা-পাঞ্জাবি, পায়ে চটি, মুখে সেই লাজুক হাসি নিয়ে সোজা হাজির হলেন নিজের রেস্টুরেন্ট ‘হেঁশেল’-এ। সেখানের কর্মীরা তাঁর বড্ড আপন। তাঁকে হেঁশেলের কর্মীরা প্রথমে হকচকিয়ে গিয়েছিলেন। যে মানুষটার গান শুনে গোটা দেশ আবেগে ভাসে, তিনি আজ সামনে দাঁড়িয়ে! তার পরই সব জড়তা ভেঙে গেল। কারণ, তিনি এলেন বস হয়ে নয়, দাদা হয়ে। বড়দা।আসলে ‘হেঁশেল’ শুধু একটা রেস্টুরেন্ট নয়। এটা অরিজিতের শিকড়। এই শহরের ছাত্রদের কথা ভেবে তিনিই বলে রেখেছেন, “কম টাকায় পেট ভরে খাওয়াতে হবে। আমার শহরের কোনও ছেলে যেন না খেয়ে থাকে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *