দীর্ঘদিনের পরিচিতি। মন দেওয়া নেওয়া। একে অপরের কাছে আসা। অবশেষে সরস্বতী পুজোয় বাঙালির ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে পূর্ণতা পেল সম্পর্ক। সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেতা বিশ্বাবসু বিশ্বাস এবং ঐশিকী ঘটক। বিষ্ণুপুরে বসেছিল বিয়ের আসর। বিয়ের পর সোশাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করেন নবদম্পতি। শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন দু’জনে।
আরও পড়ুন:

বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের মেয়ে ঐশিকী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্য়ালয়ের ড্রামা বিভাগের ছাত্রী। তিনি থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত। এদিকে, ছোটপর্দার চেনা মুখ বিশ্বাবসু। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তিনি। অভিনয় নেশা বিশ্বাবসুর। ‘করুণাময়ী রানি রাসমণি’, ‘সাঁঝার বাতি’র মতো একাধিক ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছে তাঁকে। যুক্ত থিয়েটারের সঙ্গেও। মঞ্চই যেন বিশ্বাবসু ও ঐশিকীর সম্পর্কের যোগসূত্র তৈরি করে। সেখানেই শুরু হয় বন্ধুত্ব। তা গাঢ় হতে বিশেষ সময় লাগেনি। মাত্র কয়েকদিনেই প্রেম দানা বাঁধে। তবে মাঝে শোনা গিয়েছিল, ‘ওগো নিরুপমা’ খ্যাত অভিনেত্রী অর্কজা আচার্যর সঙ্গে একসময় সম্পর্কে ছিলেন বিশ্বাবসু। একসময় টলিপাড়ায় কান পাতলে শোনা যেত, নাকি দু’জনে বিয়ে করেছেন। পরবর্তীকালে অবশ্য এই গুঞ্জন প্রসঙ্গে নীরবতা ভাঙেন দেবমাল্য। সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার কথা জানান। বিয়ের কোনও সম্ভাবনা নেই, তা-ও জানিয়েছিলেন তিনি।

অর্কজার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সম্ভবত নতুন সম্পর্কে জড়ান বিশ্বাবসু। অবশেষে সেই সম্পর্ক পরিণিত পেল। বাঙালির ভ্যালেন্টাইনস ডে-র শীতের রাতে বিবাহবন্ধনে বাধা পড়লেন তিনি। একেবারে সাবেকি সাজে সেজেছিলেন দেবমাল্য ও ঐশিকী। দেবমাল্যর পরণে ছিল লাল রঙের পাঞ্জাবি এবং ছাই রঙের ধুতি। রংমিলান্তি লাল টুকটুকে বেনারসি পরেন ঐশিকী। কপালে চন্দনের কলকা এবং মানানসই সোনার গয়নায় সাজেন তিনি। সাতপাক ঘুরে, অগ্নিসাক্ষী রেখে সিঁদুর দান হয় তাঁদের। আমন্ত্রিতর তালিকায় ছিলেন দু’জনের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের মানুষেরা। দেবমাল্য ও ঐশিকীর আগামী পথচলা আরও সুখময় হোক, প্রার্থনা অনুরাগীদের।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
