ভোট লড়লেই বাজেয়াপ্ত হত জামানত, এবার হাসিনার গোপালগঞ্জে জোর টক্কর বিএনপি-জামাতের

ভোট লড়লেই বাজেয়াপ্ত হত জামানত, এবার হাসিনার গোপালগঞ্জে জোর টক্কর বিএনপি-জামাতের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এতদিন ভোটের লড়াইয়ে নামলেই জামানত বাজেয়াপ্ত হত। এবার আসল প্রতিদ্বন্দ্বীই নেই। আর তাই ফাঁকা মাঠে গোল দেওয়ার লক্ষ্যে মরিয়া যুযুধান দু’পক্ষ। আগামী ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ বাংলাদেশে ভোট। তার আগে জোর টক্কর প্রার্থীদের মধ্যে। এর মাঝে সবচেয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গোপালগঞ্জ-৩ আসনের লড়াই নিয়ে। ২০২৪ সালে হাসিনা জমানা অবসানে ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে বাংলাদেশের শাসনক্ষমতা যাওয়ার পর সে দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে আওয়ামি লিগকে। ভোটে অংশ নিতে পারবে না বঙ্গবন্ধুকন্যার দল। তাঁর বরাবরের জেতা আসনে এবার নেই নৌকা প্রতীকের কোনও প্রার্থী। বরং জমাটি লড়াই হবে খালেদা জিয়ার বিএনপি ও জামাতের।

টুঙ্গিপাড়া এবং কোটালিপাড়া উপজেলা নিয়ে গোপালগঞ্জ-৩ আসন। সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকে বরাবর প্রার্থী হতেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর পৈতৃক বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় এবং বাবা বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমান সমাধিও সেখানে। তাই সংসদীয় নির্বাচনের ইতিহাসে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সবসময় নৌকা প্রার্থীই বিজয়ী হয়েছেন। আর বিরোধীরা এত কম ভোট পেয়েছে যে তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এবার সেই দুর্নাম ঘোচানোর চেষ্টায় গোপালগঞ্জ-৩ আসনকে পাখির চোখ করেছে জামাত, বিএনপি। এখানে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে তাঁদের মধ্যে।

কিন্তু এহেন নির্বাচনী লড়াই নিয়ে তেমন আগ্রহী নন টুঙ্গিপাড়ার মানুষজন। সাধারণ ভোটারদের একটা বড় অংশই আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করায়, নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ায় বেশ ক্ষুব্ধ। কেউ জানাচ্ছেন, তাঁরা ভোটে অংশ নেবেন না। আবার কারও মতে, হাসিনার দল না থাকলেও ভোট দিতে যাবেন। তবে সামগ্রিকভাবে সকলেই একমত যে নিরিবিলি, সুষ্ঠু নির্বাচন হোক। আগামী ফেব্রুয়ারির ভোটে এটাই দেখার, একদা প্রধানমন্ত্রীর আসনটি এখন কে দখল করতে পারে। এই আসনে যে ক্ষমতায় আসবে, সরকার গঠনে তার অ্যাডভান্টেজ হবে, বলাই বাহুল্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *