ভোটার তালিকা থেকে মুছে যাচ্ছে নাম! ‘কারচুপি’ দেখছে তৃণমূল, কমিশন বলল, ‘সার্ভারের সমস্যা’

ভোটার তালিকা থেকে মুছে যাচ্ছে নাম! ‘কারচুপি’ দেখছে তৃণমূল, কমিশন বলল, ‘সার্ভারের সমস্যা’

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়: ২০০২ সালের ভোটার তালিকা ও কমিশনের আপলোড করা ডিজিটাল লিস্টে বিস্তর ফারাকের অভিযোগ করেছে তৃণমূল। বুথ উল্লেখ করে তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ দাবি করেছেন, বহু ভোটারের নাম নেই কমিশনের আপলোড করা লিস্টে। কার্যত এই অভিযোগ স্বীকার করে নিল নির্বাচন কমিশন। এদিন জানানো হয়েছে, ওয়েবসাইটে সমস্যার কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে আগামিকালের মধ্যে সমস্যা মিটে যাবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। যদিও মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের দাবি, বিপাকে পড়ে কমিশনের ওয়েবসাইট নাকি ক্র্যাশ করেছে বলে বলা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা পুরো ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি করছি।”

২০০২ সালে বাংলায় শেষবার এসআইআর হয়েছিল। সেই মোতাবেক এবারের এসআইআরে ওই বছরের ভোটার তালিকাকে গুরুত্ব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যাঁদের নাম সেই বছরের তালিকায় রয়েছে, তাঁদের আর কোনও অতিরিক্ত নথি দেখাতে হবে না বলে জানানো হয়েছে। এসবের মাঝে বৃহস্পতিবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেন তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। দাবি করেন, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে যাঁদের নাম ছিল, সম্প্রতি কমিশনের আপলোড করা ওইবছরের অনলাইন তালিকায় তাঁদের অনেকের নাম নেই। পরিকল্পনামাফিক এসআইআর-এর আগেই নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

এই অভিযোগ কার্যত মেনে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, ওয়েবসাইটে সমস্যার কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আগামিকালের মধ্যে সমস্যা মিটে যাবে। প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাজ্যে এসআইআর ঘোষণা করেছে কমিশন। সেই সাংবাদিক বৈঠকেই স্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়েছে ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে নাম থাকলেই চিন্তার কোনও কারণ নেই। স্বাভাবিকভাবেই সকলেই চেষ্টা করছেন, একবার লিস্টে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নাম দেখে নিতে। আর সেখানেই বিপত্তি। অভিযোগ, সোমবার সকাল থেকেই প্রবল সমস্যা শুরু হয়েছে CEO দপ্তরের ওয়েবসাইটে। মোবাইল বা কম্পিউটার, কোনওটাতেই খুলছে না ওয়েবসাইট। বহুচেষ্টায়ও অনেকে দেখতে পাচ্ছে ভোটার লিস্ট।

মন্ত্রী চন্দ্রিমার দাবি বিজেপি এই চক্রান্ত করছে। তাঁর কথায়, “ভোটার তালিকায় যেভাবে কারচুপি হচ্ছে তাতে বিজেপির মধ্যেও ঝামেলা শুরু হয়েছে বলে খবর। কারণ, এসব করতে গিয়ে কিছু ক্ষেত্রে নিজেদের লোকের নামও বাদ দিয়ে ফেলেছে ওরা। আর এখন ফেঁসে গিয়ে বলছে, কমিশনের ওয়েবসাইট নাকি ক্র্যাশ করেছে। আমরা পুরো ঘটনার যথাযথ তদন্তের দাবি করছি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *