ভিনজাতের মেয়ের সঙ্গে প্রেম মানেনি! চুপিসারে বিদেশ থেকে ফিরে মাকে খুন পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলের

ভিনজাতের মেয়ের সঙ্গে প্রেম মানেনি! চুপিসারে বিদেশ থেকে ফিরে মাকে খুন পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


ভিনজাতের মেয়ের সঙ্গে প্রেম। মানতে পারেনি মা। সেই রাগে বিদেশ থেকে ফিরে মাকে খুন করল ছেলে। হরিয়ানার যমুনানগর জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন:

গত বছর ডিসেম্বরের ২৪ তারিখ রাতে এই ঘটনা ঘটে। পরেরদিন সকালে জানা যায় মৃত্যু হয়েছে শ্যামপুর গ্রামের পঞ্চায়েত প্রধানের স্ত্রী বলজিন্দর কৌরের। তাঁর মৃত্যুর ঘটনা গ্রামের মানুষের কাছে আশ্চর্যজনক মনে হয়। জানা যায়নি কী করে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এরপরেই ঘটনার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয় ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে।

তদন্ত করতে গিয়ে জানা যায়, খুন হয়েছেন বলজিন্দর। তদন্ত গতি পেতেই, বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ, মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থা এবং ফোন রেকর্ডের মত তথ্য ঘেঁটে জানা যায় খুন করেছেন পঞ্চায়েত প্রধানের ছেলে গোমিত রাঠি।

আরও পড়ুন:

পুলিশ জানিয়েছে, গোমিতের সঙ্গে প্রেম ছিল ভিন্ন জাতের এক মেয়ের। সেই কথা জানাজানি হয়ে যায় পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে। গোমিতের মা এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি। তাঁকে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বিদেশে। সেখানে পড়াশুনার পাশাপাশি এক জায়গায় কাজ করতেন তিনি।

বাড়ি থেকে দূরে চলে গেলেও মনের মধ্যে পুষে রেখেছিলেন মায়ের বিরুদ্ধে রাগ। গোপনে চলছিল প্রতিশোধের পরিকল্পনা। জানা গিয়েছে, ১৮ ডিসেম্বর লুকিয়ে দেশে ফেরেন গোমিত। তাঁর ফেরার কথা জানতেন শুধুমাত্র বন্ধু পঙ্কজ। ২৪ তারিখ পর্যন্ত নিজের বারির গোয়ালে লুকিয়ে ছিলেন তিনি খোঁজ করছিলেন সঠিক সময়ের। ২৪ রাতে সুযোগ বুঝে মায়ের উপর ঝাঁপিয়ে পরেন গোমিত। মারধর করার পরে খুন করেন তাঁকে। এরপরে, এই ঘটনাকে দুর্ঘটনা প্রমাণ করতে মায়ের দেহ জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দেয় গোমিত। এই ঘটনায় তাঁকে সাহায্য করে পঙ্কজ।

আরও পড়ুন:

পুলিশ সুপারের নির্দেশে গঠিত একটি বিশেষ তদন্তকারী দল মোবাইল ডেটা, ফোনের অবস্থান, গ্রামের গতিবিধির ধরণ এবং ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে ঘটনা পুনর্গঠন করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, গোমিতকে আটক করে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের অস্ত্র উদ্ধার, সহযোগীর ভূমিকা যাচাই এবং ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ তৈরির চেষ্টা করছে পুলিশ।

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *