বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় ফেভারিট। কিন্তু সেই মহাশক্তিধর ভারতকেই গুঁড়িয়ে দিল গতবারের রানার্স আপ দক্ষিণ আফ্রিকা। ৭৬ রানে ম্যাচ জিতে প্রোটিয়া তারকা ডেভিড মিলারের হুঙ্কার, ভারত মোটেই অবধ্য নয়। চেষ্টা করলেই ভারতকে হারানো যায়। উল্লেখ্য, ২০২৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে মিলারের উইকেট পড়তেই নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের বিশ্বজয়। দু’বছর পর সেই হারের বদলা নিলেন প্রোটিয়া শিবির।
এই বিষয়ে আরও খবর
রবিবার সুপার এইটের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচেও মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। সেই ম্যাচ একপেশেভাবে জেতেন সূর্যকুমার যাদবরা। গ্রুপ পর্বেও সব ম্যাচ জিতেছে ভারত। সুপার এইটেও মেন ইন ব্লু উড়িয়ে দেবে প্রোটিয়াদের, এমনটাই ধরে নিয়েছিল ক্রিকেটমহল। কিন্তু ক্রিকেট মহা অনিশ্চয়তার খেলা। শক্তিশালী ভারতকে কেবল হারানো নয়, একেবারে গুঁড়িয়ে দিলেন এডেন মার্করামরা।
একটা সময়ে চোকার্স তকমা পাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার ছবিটা সাম্প্রতিক অতীতে সামান্য হলেও পালটেছে। গত বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ট্রফি জিতেছে তারা।
রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের স্থপতি মিলারই। প্রথমে তিন উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা প্রোটিয়াদের লড়াকু জায়গায় পৌঁছে দেয় তাঁর ৬৩ রানের ইনিংস। ম্যাচের সেরাও বেছে নেওয়া হয় মিলারকেই। ম্যাচ জেতানোর পর তাঁর হুঙ্কার, “ভারতকে অবশ্য়ই হারানো যায়। ওরা দুর্দান্ত দল, কিন্তু আমি মনে করি এরকম টুর্নামেন্টে একেবারে প্রাথমিক বিষয়গুলিতেই বেশি মন দেওয়া উচিত। প্রত্যেক ক্রিকেটার নিজের দায়িত্ব পালন করলেই কাজ সারা হয়ে যাবে”
মিলারের কথায়, “দল হিসাবে আমরা যথেষ্ট পরিণত। প্রত্যেক ক্রিকেটারই দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে অনেকদিন খেলছে। চাপের মুখেও আমরা নিজেদের দায়িত্বটা ঠিকমতো পালন করতে পারছি।” উল্লেখ্য, একটা সময়ে চোকার্স তকমা পাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার ছবিটা সাম্প্রতিক অতীতে সামান্য হলেও পালটেছে। গত বছর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ট্রফি জিতেছে তারা। এবারও বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে একটাও ম্যাচ হারেনি। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জোড়া সুপার ওভারে চাপ সামলে জিতেছে। এবার ভারতকে হারিয়ে হুঙ্কার দেওয়াটা প্রোটিয়াদেরই সাজে, মনে করছে ক্রিকেটমহল।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
