বুধবার থেকে বাড়ি ফেরেননি তাঁরা। রাতভর নিখোঁজ। বৃহস্পতিবার রাতে কোচবিহারের সিতাইয়ের ডোবায় উদ্ধার জোড়াদেহ! কচুরিপানা সরিয়ে দুই যুবকের দেহ উদ্ধার। দু’জন সম্পর্কে শ্যালক ও ভগ্নিপতি। পরিবার খুনের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কী করে তাঁদের মৃত্যু তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম মনিরুল মিঞা ও মমিন মিঞা। মমিন সম্পর্কে মনিরুলের ভগ্নিপতি। তিনি চামটা এলাকার বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা যাচ্ছে, কাজের সূত্রে বুধবার শ্যালক ও ভগ্নিপতি দিনহাটা যান। এলাকায় ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যায়। সেই সময় তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবার। কথা হলেও, তাঁরা বাড়িতে ফেরেননি। বৃহস্পতিবার সকালেও তাঁরা বাড়িতে না ফেরায়, খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। আত্মীয়দের খবর দেওয়া হয়। খোঁজ শুরু করেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু কোনও খোঁজ মেলেনি। অবশেষে পরিবারের সদস্যরা থানায় নিখোঁজ অভিযোগ করেন।
আরও পড়ুন:
এ দিকে নিজেরাও তল্লাশি জারি রাখেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সিতাই ব্লকের ছাট সিঙ্গিমারী এলাকার বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ডোবার সামনে মনিরুল ও মমিনের জুতো দেখতে পারেন। গ্রামবাসীরা সকলে ডোবায় নেমে তল্লাশি শুরু করে। তখনই দু’টো দেহ পাওয়া যায়। দেহ উদ্ধারের পর খবর যায় পুলিশে। দেহ দু’টি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। কী করে মৃত্যু? তা নিয়ে ধোঁয়াশা। কচুরিপানার ভিতরে দেহ ঢুকল কী করে তাও ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। এ দিকে পরিবারের সদস্যরা খুনের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
