গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রকের। বিভিন্ন সংস্থার মালিক ও কর্মীদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে যে, কোনও কর্মী যেন কমপক্ষে ৩০ মিনিটের বিশ্রাম বিরতি না নিয়ে একটানা পাঁচ ঘণ্টার বেশি কাজ না করেন। কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ নিয়ে আগের বিধিমালাকে আরও শক্তিশালী করেই এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। যেখানে কর্মঘণ্টার মধ্যে নির্দিষ্ট বিরতির কথা বলা ছিল। নতুন শ্রম আইন বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা এবং কর্মচারীদের কল্যাণ সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই মন্ত্রণালয়ের এই সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ্যে এসেছে।
শ্রমমন্ত্রক ভূগর্ভস্থ খনি শ্রমিকদের সম্পর্কিত নিয়মাবলিও স্পষ্ট করেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে, তাঁদের কাজের শিফট আট ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয়। খনি শিল্প সবচেয়ে বেশি শারীরিক পরিশ্রমের এবং ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। শ্রম সুরক্ষা বিধিমালা ঐতিহ্যগতভাবে ভূগর্ভস্থ শ্রমিকদের জন্য কাজের সময়কাল, ব্যবস্থাপনা এবং বিশ্রামের বিরতির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে আসছে। পূর্ববর্তী শ্রম বিধিমালা এবং কারখানা-সংক্রান্ত আইনে কাজের শিফটের মধ্যে বিরতির প্রয়োজনীয়তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। বিশেষত ক্লান্তি, কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা এবং দীর্ঘক্ষণ একটানা কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানোর জন্য।
আরও পড়ুন:
সম্প্রতি প্রবর্তিত শ্রম আইনগুলিতে বিশ্রাম ও বিরতির কিছু বিশদ কাঠামোর সুস্পষ্ট উল্লেখ নেই, যা পূর্ববর্তী বিজ্ঞপ্তি ও বিধানগুলিতে বিদ্যমান ছিল। এর ফলে শ্রমিক সংগঠন এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে এই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে, সরকার পৃথকভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি না করলে বাধ্যতামূলক বিরতি এবং কাজের পরিবেশ সম্পর্কিত সুরক্ষাগুলি প্রয়োগ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তাই, নতুন শ্রম কাঠামোর দিকে এই রূপান্তরের মধ্যে বিদ্যমান শ্রমিক কল্যাণমূলক সুরক্ষাগুলিকে নিশ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা হিসাবে সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিটিকে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
