বিশ্বকাপে হারের হ্যাটট্রিক, ইংল্যান্ডের কাছে পরাজয়ে সেমির অঙ্কে হোঁচট ভারতের

বিশ্বকাপে হারের হ্যাটট্রিক, ইংল্যান্ডের কাছে পরাজয়ে সেমির অঙ্কে হোঁচট ভারতের

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


ইংল্যান্ড: ২৮৮/৮ (নাইট ১০৯, দীপ্তি ৫১/৪)
ভারত: ২৮৪/৬ (স্মৃতি ৮৮, হরমনপ্রীত ৭০, স্কিভার ব্রান্ট ৪৭/২)
ইংল্যান্ড ৪ রানে জয়ী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের পর আচমকা ধাক্কা খেয়েছিল ভারত। শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল ওমেন্স ইন ব্লু। কিন্তু তারপর দুই ম্যাচে হেরে হরমনপ্রীত কউরদের সেমির সেই স্বপ্নে বড়সড় ধাক্কা লেগেছে। বিপরীতে ছিল এমন একটা দল, যারা বিশ্বকাপে একটা ম্যাচও হারেনি। সেই ইংল্যান্ডের কাছে হেরে সেমির রাস্তায় বড়সড় হোঁচট খেলেন ভারত। হরমনপ্রীত-স্মৃতির লড়াই সত্ত্বেও ইংল্যান্ডের কাছে মাত্র ৪ রানে হারল ভারত। হারের হ্যাটট্রিকে যেমন সেমির লড়াইয়ে সমস্যায় পড়ল ওমেন্স ইন ব্লু, তেমনই শেষ চার নিশ্চিত করে ফেলল ইংল্যান্ড। 

সেমিফাইনালে উঠতে হলে, শেষ তিনটি ম্যাচের মধ্যে ভারতকে দু’টি ম্যাচে জিততেই হবে। এই অঙ্ক মাথায় নিয়ে ইন্দোরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নেমেছিল ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ব্রিটিশ অধিনায়ক ন্যাট স্কিভার ব্রান্ট। শুরুতে রানের গতি না তুললেও উইকেট হারায়নি ইংল্যান্ড। তামসিন বিউমন্ট বা অ্যামি জোনসদের আটকানো গেলেও হেদার নাইটের ইনিংসের কোনও জবাব ছিল না ভারতের বোলিংয়ের কাছে। শ্রীচরণি দুটি উইকেট নেন। আর দীপ্তি শর্মার ৫১ রানে ৪ উইকেট ছাড়া কেউই দাগ কাটতে পারেননি। এই ম্যাচে ছয় বোলারের স্ট্রাটেজি নিয়ে নেমেছিলেন হরমনপ্রীত। তাতেও নাইটের সেঞ্চুরি আটকানো যায়নি। ৯১ বলে ১০৯ রান করে আউট রান আউট হন তিনি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড ২৮৮ রান করে।

ম্যাচ জিততে হলে ইতিহাস তৈরি করার দায়িত্ব ছিল স্মৃতিদের উপর। কারণ, বিশ্বকাপে কখনও এত রান তাড়া করে জেতেনি ভারত। সেই লক্ষ্যে নেমে শুরুতেই ধাক্কা। বিশ্বকাপে ভালো ফর্মে থাকা প্রতীকা রাওয়াল ৬ রানে আউট হন। রান পাননি হরলিন দেওলও। বরং ভারতকে টানেন দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হরমনপ্রীত কউর ও স্মৃতি মন্ধানা। বিশ্বকাপে দু’জনের ব্যাটেই রানের দেখা ছিল না। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জ্বলে উঠলেন ভারতের অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক। ৯৪ বলে ৮৮ রান করেন স্মৃতি। ৭০ বলে ৭০ রান করে আউট হন হরমনপ্রীত। হাফসেঞ্চুরি করেন দীপ্তি শর্মা।

তবে তাঁদের ব্যাটিংও যথেষ্ট ছিল না ভারতকে জেতানোর জন্য। এক বোলার বেশি খেলানোয় জেমাইমা রদ্রিগেজ দলে ছিলেন না। ফলে শেষের দিকে ফিনিশারের কাজটা কেউ করতে পারলেন না। রান পাননি বাংলার রিচা। স্মৃতি-হরমনরা ফিরে যাওয়ার পর রানের গতিও ক্রমশ কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ৪ রানে হেরে সেমির রাস্তায় হোঁচট খেল ভারত। এই মুহূর্তে ৫ ম্যাচে হরমনপ্রীতদের পয়েন্ট ৪। লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে আছে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের পয়েন্টও সমান, তবে তারা নেট রান রেটে পিছিয়ে। ২৩ অক্টোবর কিউয়িদের বিরুদ্ধেই ভারতের ম্যাচ। সেই ম্যাচেই নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে কোন দল সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে যাবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *