বানভাসি ভূতনিতে বিষাক্ত সাপের উপদ্রব, কাটা বাঁধে তৈরি হচ্ছে ভাসমান ফুটব্রিজ

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


বানভাসি ভূতনিতে বিষাক্ত সাপের দংশনের ঘটনা বাড়লেও প্রশাসনিক তৎপরতায় এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি। দক্ষিণ চণ্ডীপুরে কাটা বাঁধে তৈরি হচ্ছে ভাসমান ফুটব্রিজ। মালদহ জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার বন্যায় মানিকচকের ভূতনি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ১২ জন বিষাক্ত সাপের দংশনে আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১০ জন ভূতনি এলাকার বাসিন্দা। বাকি দু’জনের বাড়ি রতুয়ার বানভাসি এলাকায়। প্রত্যেককে সময় মতো সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাই মৃত্যু এড়ানো সম্ভব হয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বন্যার জল পুরোপুরি নেমে গেলে সাপের উপদ্রব আরও বাড়বে। তাই জল নামার পর প্রশাসন যেন এনিয়ে সময়মতো পদক্ষেপ করে।

বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত এলাকার বাসিন্দা তথা সিপিএমের জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য দেবজ্যোতি সিনহা। তিনি জানান, বন্যার সময় সাপের উপদ্রব বাড়ে। ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে ভূতনিতে বন্যা হয়েছে। দু’বছরেই সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এবার সেটা হয়নি। মানিকচকের বিধায়ক গৌরচন্দ্র মণ্ডল জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন পুরোপুরি তৈরি। সিভিল ডিফেন্স ও এনডিআরএফ খবর মিলতে এলাকায় পৌঁছে যাচ্ছে। সাপ কিংবা পোকামাকড়ের কামড় খাওয়া মানুষকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ওই কারণে এখনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ভূতনি চর থেকে বন্যার জল নেমে যাওয়ার পরেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বহাল থাকবে। চিন্তার কারণ নেই।

আরও পড়ুন:

মালদহের জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর জানান, যখনই কোথাও থেকে সাপের কামড়ের খবর আসছে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে সিভিল ডিফেন্স, পুলিশ অথবা এনডিআরএফ কর্মীরা পৌঁছে যাচ্ছেন। মানুষকে উদ্ধার করে গোল্ডেন পিরিওডের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত একজনেরও মৃত্যু হয়নি। এদিকে গঙ্গার জলে প্লাবিত হয় ভূতনি থানা এলাকার বিস্তীর্ণ অংশ। বাড়িঘর, স্কুল, রাস্তাঘাট সবই চলে যায় জলের তলায়। প্লাবিত এলাকা থেকে দ্রুত জল বের করতে প্রশাসন দক্ষিণ চণ্ডীপুরের এক প্রান্তে বাঁধ কেটে দেয়। এখন জল নেমে গেলেও প্রায় ১০০ মিটার কাটা বাঁধের অংশ যোগাযোগের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। পারাপারের একমাত্র ভরসা হয়েছে নৌকা। বাসিন্দাদের দুর্ভোগের কথা ভেবে এবার প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে ভাসমান ফুটব্রিজ। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে লোহার কাঠামোর মধ্যে ড্রাম ব্যবহার করে কাটা বাঁধের অংশের উপর এই ফুটব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে। এই সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে না পারলেও হেঁটে এবং সাইকেল নিয়ে মানুষ পারাপার করতে পারবেন। ফলে কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমবে বলে আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *