বাংলাদেশ ক্রিকেটে ফিক্সিং কেলেঙ্কারি! অভিযুক্ত ৫, মুখ পুড়ল পদ্মাপারের দেশের

বাংলাদেশ ক্রিকেটে ফিক্সিং কেলেঙ্কারি! অভিযুক্ত ৫, মুখ পুড়ল পদ্মাপারের দেশের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


বাংলাদেশ ক্রিকেটে ফের বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এল। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, বিপিএলের ১২তম আসরে ম্যাচ ফিক্সিং ও দুর্নীতিতে জড়িত থাকায় ক্রিকেটার-সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ।

বিসিবি-র দুর্নীতি দমন শাখার তদন্তে উঠে এসেছে, দীর্ঘদিন ধরেই বিপিএল-কে কেন্দ্র করে সক্রিয় ছিল একটি বড় বেটিং চক্র। একাধিক মরশুমে সন্দেহজনক ঘটনা সামনে আসার পর তদন্ত শুরু করে বাংলাদেশ বোর্ড। তদন্ত যত এগিয়েছে, ততই প্রকাশ্যে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, বিপিএলের দ্বাদশ মরশুমে একাধিক সন্দেহজনক কার্যকলাপের খোঁজ মেলে। তদন্তে বেটিং, দুর্নীতির চেষ্টা, তথ্য গোপন এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। বিসিবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “বিপিএল-কে ঘিরে দুর্নীতি, বেটিং, তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য গোপনের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালানো হয়েছে।”

আরও পড়ুন:

বিসিবি-র দাবি, কিছু অভিযুক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলেছেন। এখানেই শেষ নয়, দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকদের কাজে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেছেন।

বিসিবি-র দাবি, কিছু অভিযুক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলেছেন। এখানেই শেষ নয়, দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকদের কাজে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেছেন। এই মামলায় অন্যতম বড় নাম চট্টগ্রাম রয়্যালসের ম্যানেজার মহম্মদ লাবলুর রহমান। অভিযোগ, তিনি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করেননি। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন বা নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। একই অভিযোগ উঠেছে ফ্র্যাঞ্চাইজির অন্যতম কর্ণধার মহম্মদ তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধেও। এছাড়া বাংলাদেশের আনক্যাপড ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং দলের ম্যানেজার রিজওয়ান কবির সিদ্দিকির বিরুদ্ধে সরাসরি বেটিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিসিবি জানিয়েছে, “ক্রিকেট ম্যাচের ফল, পরিস্থিতি বা অন্য কোনও দিক নিয়ে বেটিং সম্পূর্ণ নিয়মবিরুদ্ধ।”

অভিযোগ সামনে আসার পর অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁদের দু’সপ্তাহ সময় দিয়েছে বোর্ড।

অভিযোগ সামনে আসার পর অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য তাঁদের দু’সপ্তাহ সময় দিয়েছে বোর্ড। অন্যদিকে, সামিনুর রহমানকে সব ধরনের ক্রিকেট কার্যকলাপ থেকে নিষিদ্ধ করেছে বিসিবি। সূত্রের খবর, বিপিএলের নবম, দশম ও একাদশ মরশুমে দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। বোর্ডের অভিযোগ, তিনি বেটিং চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ক্রিকেটার ও এজেন্টদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন। বিসিবি-র অ্যাডহক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল বলছেন, “একটি দল ছাড়া কেউই বিপিএলে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টির নিয়ম মানেনি। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট থেকে ১৫-১৬ হাজার টাকা ক্ষতি হচ্ছে।” তাছাড়াও তিনি জানিয়েছেন, একটা সময় এই টুর্নামেন্ট থেকে লাভ হত। এই অবস্থায় ঠিকঠাক ফ্র্যাঞ্চাইজি না পেলে বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।” গড়াপেটা নিয়ে তামিম বলেন, “বিপিএলে ম্যাচ গড়াপেটা নিয়ে তদন্ত হয়েছিল। ওই তদন্তে পাঁচ ক্রিকেটার শনাক্ত হয়েছে। ওরা বড় ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *