বাংলাদেশে পদ্মানদীতে বাস পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩। দুর্ঘটনার সময় বাসে ছিলেন প্রায় ৪০ জন যাত্রী। বুধবার দীর্ঘ ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় নদী থেকে বাসটিকে তোলা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ২৩ জন যাত্রীর মৃতদেহ। এখনও অনেকে নিখোঁজ। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এদিকে দুর্ঘটনার মুহূর্তের একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)।
বুধবার বিকেল ৫টা ১৫ নাগাদ ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস দাঁড়িয়েছিল দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের তিন নম্বর ঘাটে। আচমকা ওই ঘাটে একটি বিশালাকার ফেরি এসে ধাক্কা মারে পন্টুনে। তাতেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। নামানো হয় ডুবুরি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। তবে বৃষ্টির জন্য বার বার উদ্ধারের কাজে ব্যাঘাত ঘটতে থাকে।
আরও পড়ুন:
MASS CASUALTY FEARS AFTER BUS DISASTER IN BANGLADESH
Not less than 35 passengers are reported lacking after a bus plunged into the Padma River.
Two our bodies have been recovered as far as rescue groups proceed looking.
A creating scenario with many households nonetheless ready for… pic.twitter.com/wBPgB9vP6b
— Tony Lane 🇺🇸 (@TonyLaneNV) March 25, 2026
দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক রাসেল মোল্লা জানান, এখনও পর্যন্ত ২৩টি মৃতদেহ নদী থেকে তোল সম্ভব হয়েছে। এখনও অনেকে নিখোঁজ। যদিও বেশ কয়েকজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা গিয়েছে। রাতে ঝড়বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। সকাল হতেই ফের কাজে লেগে পড়েছেন বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা। গতকাল রাতেই বাসটিকে ক্রেন দিয়ে তোলা হয়েছে। কেন পন্টুনে ধাক্কা মারল ফেরিটি, কোন পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
