‘বন্ধু ভারতের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে’, ট্রাম্পের শুল্ক নীতিতে ক্ষুব্ধ আমেরিকার প্রাক্তন মন্ত্রী

‘বন্ধু ভারতের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে’, ট্রাম্পের শুল্ক নীতিতে ক্ষুব্ধ আমেরিকার প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্য/STATE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসের দখল নেওয়ার পর ভারত-মার্কিন সম্পর্কে কাঁটা বিছিয়েছে। বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও শুল্ক খাঁড়ার কোপে রক্তক্ষরণ চলছেই। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই এবার ট্রাম্পের সমালোচনায় মুখর হলেন আমেরিকার প্রাক্তন বাণিজ্য মন্ত্রী জিনা রাইমন্ডো। তাঁর অভিযোগ, বন্ধু ভারতের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। ট্রাম্পের নীতি বিশ্বে আমেরিকাকে একঘরে করছে।

হার্ভাড কেনেডি স্কুলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের ভুল নীতির সমালোচনায় সরব হয়ে জিনা বলেন, “বর্তমান সরকার আমেরিকার সমস্ত বন্ধু দেশগুলিকে অসন্তুষ্ট করছে। ‘আমেরিকাকে গ্রেট’ বানানোর নীতি আলাদা, কিন্তু আমেরিকাকে বিশ্বে একা করে দেওয়ার নীতি বিধ্বংসী।” বিশ্বে আমেরিকাকে ‘একঘরে’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। জিনার কথায়, “ইউরোপ, জাপান ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে অংশীদারিত্ব বাড়ানো আমেরিকাকে শক্তিশালী করার জন্য অপরিহার্য। এই দেশগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বাড়াতে অনেক কিছুই করা যেতে পারে।” এ প্রসঙ্গেই ভারতের কথা উল্লেখ করে প্রাক্তন মার্কিন মন্ত্রী বলেন, “আমি মনে করি ভারতের সঙ্গে আমরা যা করছি তা বড়সড় ভুল।” বন্ধু দেশের সঙ্গে বিরুদ্ধে এহেন আচরণ অত্যন্ত অন্যায় বলে দাবি করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন না হওয়ার কারণে প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে আমেরিকা। পরে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য আমেরিকা অভিযোগ তোলে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে পরোক্ষভাবে রাশিয়াকে মদত দিচ্ছে ভারত। এই অভিযোগে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয় ভারতের উপর। সবমিলিয়ে ভারতের ঘাড়ে পড়ে ৫০ শতাংশ শুল্কের কোপ। আমেরিকার এহেন খামখেয়ালি শুল্ক কোপ আমেরিকার অন্দরেই সমালোচিত হয়েছে বারবার।

এদিকে ভারত-মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলেছে। কিন্তু এখনও একমত হয়ে চুক্তি সই করতে পারেনি দু’পক্ষ। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সেদেশের কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপে কৃষিপণ্য, মৎস্য এবং ডেয়ারি পণ্যের ভারতীয় বাজার উন্মুক্ত করতে চায় আমেরিকা। সেই শর্তে রাজি নয় ভারত। তার ফলেই আটকে রয়েছে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই ট্রাম্পের নীতির সমালোচনায় সরব হলেন প্রাক্তন মার্কিন মন্ত্রী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *