বদলে যাচ্ছে আমেরিকার জনবিন্যাস! মুসলিম অধ্যুষিত শহরে খালেদার নামে রাস্তার নামকরণ

বদলে যাচ্ছে আমেরিকার জনবিন্যাস! মুসলিম অধ্যুষিত শহরে খালেদার নামে রাস্তার নামকরণ

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশি মুসলিম অধ্যুষিত আমেরিকার শহরে খালেদা জিয়ার নামে রাস্তার নামকরণ। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকায়। মিশিগানের মুসলিম অধ্যুষিত হ্যামট্রমিক সিটির এক রাস্তার নামকরণ করা হল খালেদা জিয়ার নামে। এই ঘটনায় বিতর্ক শুরু হয়েছে। মার্কিনিদের অভিযোগ, এই ঘটনাই প্রমাণ করছে ক্রমশ বদলে যাচ্ছে আমেরিকার জনবিন্যাস।

জানা যাচ্ছে, হ্যামট্রমিক সিটির ‘কারপেন্টার স্ট্রিট’ নামে একটি রাস্তার নাম বদলে নতুন নাম করা হয়েছে ‘খালেদা জিয়া স্ট্রিট’। নামকরণের এই প্রস্তাবে সম্প্রতি সম্মতি দিয়েছে সেখানকার সিটি কাউন্সিল। বর্তমানে এই কাউন্সিলে রয়েছেন ৪ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিলর। তাঁদের উদ্যোগেই এই নামকরণ। যে শহরের রাস্তার নামবদল করা হয়েছে সেই শহরটির মোট জনসংখ্যার অধিকাংশই বাংলাদেশি মুসলিম। ঘটনা সামনে আসার পর সরব হয়েছে ট্রাম্পপন্থী ‘মাগা ক্রাউড’। সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষোভের আগুন। অনেকেই হুঁশিয়ারির সুরে বলেছেন, ‘এটা আমেরিকা, বাংলাদেশ নয়। এই ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ লিখেছেন, ‘এভাবেই ক্রমশ বদলে যাচ্ছে আমেরিকার জনবিন্যাস। এইসব বাসিন্দাদের আমেরিকা থেকে অবিলম্বে তাড়ানো উচিত।’

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামী জীবনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য নিয়েও অনেকদিন ধরে লড়ছিলেন খালেদা জিয়া (Khaleda Zia)। কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস, চোখের সমস্যা শেষ জীবনে তাঁকে জর্জরিত করে ফেলেছিল। লন্ডনে গিয়ে মাস ছয়েক চিকিৎসা করার পরও শরীর তেমন সুস্থ হয়নি। গত ২৩ নভেম্বর ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের দিয়ে তৈরি মেডিক্যাল বোর্ড তাঁকে সুস্থ করে তুলতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। মাঝেমধ্যে চিকিৎসায় সাড়াও দিয়েছেন অশীতিপর নেত্রী। কিন্তু তাঁদের সমস্ত চেষ্টাই ব্যর্থ হয় গত ৩০ ডিসেম্বর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *