বড়দিনের আগেই মহাকাশে ‘ক্রিসমাস ট্রি’! নক্ষত্রগুচ্ছ দেখে অবাক মহাকাশপ্রেমীরা

বড়দিনের আগেই মহাকাশে ‘ক্রিসমাস ট্রি’! নক্ষত্রগুচ্ছ দেখে অবাক মহাকাশপ্রেমীরা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বড়দিন এসে গিয়েছে। বিশ্বজুড়ে আলোর মালা আর ক্রিসমাস ট্রি-র সাজসজ্জা। কিন্তু আকাশের বুকেও এমন এক ‘গাছ’ খুঁজে পেলেন বিল লরি নামের এক ব্রিটিশ মহাকাশপ্রেমী। NGC 2264 নামের সেই নক্ষত্রগুচ্ছ রয়েছে আমাদের আকাশগঙ্গাতেই! উৎসবের মরশুমে ভাইরাল হল সেই ছবি।

কীভাবে বিল খুঁজে পেলেন ওই নক্ষত্রগুচ্ছ? জানা যাচ্ছে, কেন্টের ওই বাসিন্দা গত ২-৪ জানুয়ারি ও ২৬ মার্চ কিছু ছবি তোলেন আকাশগঙ্গার। সেই ডেটাই তিনি ব্যবহার করেছিলেন। বিল বলেছেন, ”আমি স্ট্যান্ডার্ড SHO-তে ভিন্ন ভিন্ন রং প্রয়োগ করে হাবল প্যালেট নিয়ে পরীক্ষা করতে চেয়েছিলাম। এবং প্রতিটি তরঙ্গদৈর্ঘ্যে প্রচুর ডেটা থাকার কারণে NGC 2264-কেই লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমি HSO প্যালেটটি পেয়ে গিয়েছি।” সেই সঙ্গেই তাঁর বক্তব্য, ”এই ধরনের ডেটা-সমৃদ্ধ লক্ষ্যবস্তু অনুশীলনের জন্য চমৎকার। আমার পরামর্শ, এই ধরনের ডেটা নিয়ে কাজ করার জন্য দীর্ঘ এক্সপোজার-সহ ন্যারোব্যান্ড ফিল্টার ব্যবহার করার।” বলে রাখা ভালো, এই ছবিতে যে ভি আকৃতির অংশটি দেখা যাচ্ছে, তা অবশ্য তারা নয়। এক নেবুলা।

কিন্তু প্রশ্ন হল, দেখতে যতই ক্রিসমাস ট্রি বলে মনে হোক, আদতে এই নক্ষত্রগুচ্ছ ঠিক কেমন? আসলে NGC 2264 হল তরুণ তারাদের একটা ঝাঁক। মহাকর্ষীয় বলের মাধ্যমে এরা পরস্পরের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে। প্রতিটি নক্ষত্রই ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ বছরের পুরনো। ‘বয়স’ দেখেই আন্দাজ করা যায় কেন এদের ‘তরুণ’ বলা হচ্ছে। নাসা জানিয়েছে, এরা পৃথিবী থেকে আড়াই হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। অর্থাৎ দূরত্বের নিরিখে এরা বিপুল দূরত্বে অবস্থিত। যে তারার আলো বিলের ক্যামেরার সেন্সরে এসে পড়েছিল, তা প্রাচীন গ্রিসের আমলে যাত্রা শুরু করেছিল!



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *