অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: হাওড়ার ৩ মাসের নাতিকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্তকারীরদের হাতে। পুলিশের দাবি, রাতভর লাগাতার জেরায় নাতিকে খুনের কথা স্বীকার করেছে অভিযুক্ত ঠাকুমা সারথী বন্দ্যোপাধ্যায়। বউমাকে সহ্য করতে না পেরে নাতিকে খুন বলে পুলিশকে জানিয়েছে ধৃত।
তবে পুলিশের অনুমান, একরত্তিকে খুনের প্রকৃত কারণ বলছে না অভিযুক্ত। ধৃতকে আজ, বুধবার নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আদালতে পেশ করে পুলিশ। ধৃতের ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে খুনের প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, সারথী জানাচ্ছেন, মঙ্গলবার ভোরে তার বউমা ময়না প্রাতঃকৃত্যে যাবেন বলে তাকে ডেকে ছেলেকে দেখভালের কথা বলেন। তাড়াতাড়ি ডেকে দেওয়ায় মাথা গরম হয়ে যায় অভিযুক্তের। রাগের মাথায় নাতিকে দেখভালের বদলে পুকুরে ফেলে খুন করে। এই প্রসঙ্গে হাওড়া সিটি পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক জানালেন, ধৃত মহিলা নাতিকে খুন করার প্রকৃত কারণ বলছে না। ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করলে খুনের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মঙ্গলবার ডোমজুড়ে ৩ মাসের নাতিকে পুকুরে ফেলে খুনের ঘটনায় আটক করা হয় ঠাকুমা সারথী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই রাতেই শিশুটির মা ময়না বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর শাশুড়ির বিরুদ্ধে তিন মাসের ছেলেকে খুন করার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রাতভর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সারথী পুলিশকে জানায়, সে তাঁর বউমাকে কিছুতেই সহ্য করতে পারে না। বউমার উপর রাগেই সে তার নাতিকে পুকুরে ফেলে খুন করেছে। কিন্তু ঠিক কী কারণে বউমার উপর রাগ তা স্বীকার করেনি ধৃত সারথী। ধৃতের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রজু করেই শুরু হয়েছে তদন্ত।
