ফুটবল ম্যাচ জেতার ‘মাশুল’, বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তরুণকে খুন! রণক্ষেত্র বারুইপুর

ফুটবল ম্যাচ জেতার ‘মাশুল’, বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তরুণকে খুন! রণক্ষেত্র বারুইপুর

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


ফুটবল ম্যাচ জেতার ‘মাশুল’ দিতে হল তরুণকে! বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ‘খুন’ করা হল তাঁকে! সেই ঘটনার জেরে কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এলাকা। হাসপাতালের মধ্যে থাকা পুলিশ ক্যাম্পে ভাঙচুর চালিয়েছে উত্তেজিত জনতা। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে। বারুইপুরেই নাবালিকার ‘ধর্ষণ’ ও ‘খুনে’র ঘটনায় জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিশ-প্রশাসন দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। সেই ঘটনার রেশের মধ্যেই এবার এই ঘটনা সামনে এল। মৃত ওই তরুণের নাম প্রসেনজিৎ বিশ্বাস।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৭ বয়সী প্রসেনজিৎ বিশ্বাসের বাড়ি বারুইপুরের ফুলতলা এলাকায়। শুক্রবার একটি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয় পাড়ায়। খেলায় প্রসেনজিতের টিম জিতে যায়। সেই খেলা নিয়ে মাঠেই দুই টিমের মধ্যে ঝগড়া, বিবাদ হয়েছিল! পরে দু’পক্ষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আজ, সোমবার বিপক্ষ টিমের থেকে প্রসেনজিৎকে একটি জায়গায় ডাকা হয়েছিল! প্রসেনজিৎ-সহ সঙ্গে আরও দু’জন কথামতো সেখানে উপস্থিত হয়। অভিযোগ, প্রসেনজিতের উপর হামলা চালানো হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় কোপ মারা হয়!

আরও পড়ুন:

বারুইপুর থানার পালপাড়া ব্যাঙ্ক সংলগ্ন এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। প্রসেনজিৎকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এদিকে ঘটনায় ক্ষোভ তৈরি হয় স্থানীয়দের মধ্যে। খুনের ঘটনায় তিনজন জড়িয়ে বলে অভিযোগ। তাঁদের স্থানীয়রাই তাড়া করে ধরে ফেলে। শুরু হয় ‘গণধোলাই’। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের উদ্ধার করে। তাদেরও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ক্ষোভ গিয়ে পড়ে হাসপাতালের মধ্যে থাকা পুলিশ ক্যাম্পে। ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ ওই পুলিশ ক্যাম্পে ভাঙচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ। রাস্তাও অবরোধ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। নামানো হয় র‍্যাফ। প্রসেনজিতের বাড়ি বাড়িপুর থানার ফুলতলার এ ব্লকে বলে জানা গিয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *