এসআইআর শুনানির প্রতিবাদে উত্তপ্ত গোটা বাংলা। মঙ্গলবার সকাল থেকেই জেলায় জেলায় বিক্ষোভে শামিল ভোটাররা। চলছে পথ অবরোধ। রাস্তার উপর জ্বালানো হচ্ছে টায়ার। কারও অভিযোগ, সব নথি থাকা সত্ত্বেও ডাকা হচ্ছে। কেউ আবার অভিযোগ করছেন, মুসলিম হওয়ায় হেনস্তা হতে হচ্ছে!
আরও পড়ুন:
অভিযোগ, সব নথি থাকা সত্ত্বেও ডাকা হচ্ছে। কেউ আবার অভিযোগ করছেন, মুসলিম হওয়ায় হেনস্তা হতে হচ্ছে!
গত অক্টোবরে রাজ্যে এসআইআর ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ ও জমা দেওয়ার পর প্রকাশিত হয়েছে খসড়া তালিকা। এখন চলছে শুনানি পর্ব। নথিতে সামান্য অসংগতি থাকলেও ডাক পড়ছে শুনানিতে। অসুস্থ থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, কেউই তা থেকে ছাড় পাচ্ছেন না। যা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে তৃণমূল। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবিষয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছেন। এসবের মাঝে শুনানির নামে হেনস্তার প্রতিবাদে পথে নেমেছে আমজনতা। মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট, পোলবা এলাকায় রাস্তা অবরোধ করেন স্থানীয়রা। একের পর এক জ্বালানো হয় টায়ার। খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পথে নামে পুলিশ। তাঁদের সামনেও চলে বিক্ষোভ।
নথিতে সামান্য অসংগতি থাকলেও ডাক পড়ছে শুনানিতে। অসুস্থ থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, কেউই তা থেকে ছাড় পাচ্ছেন না। যা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে তৃণমূল। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবিষয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি লিখেছেন।
একই ছবি উত্তর ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়। পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া দেভোগ গ্রাম পঞ্চায়েতে মনোহরপুরের ২৬৯ নম্বর বুথের ১২৪৮ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬৫০ জনই শুনানির নোটিস পেয়েছে। যার মধ্যে সংখ্যালঘু রয়েছে ৬৩০ জন। এরই প্রতিবাদে সকাল থেকেই বিক্ষোভে স্থানীয়রা। বিক্ষুব্ধদের মধ্যে একজন বলেন, “বেছে বেছে মুসলিমদেরই শুনানির নামে হেনস্তা করা হচ্ছে। সেদিন শুনানি কেন্দ্রে গিয়েছিলাম। মাত্র ২ জন হিন্দুকে ডাকা হয়েছে। বাকি সবাই মুসলিম।” অবিলম্বে কমিশন পদক্ষেপ না করলে বৃহত্তর আন্দোলেনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন বিক্ষুদ্ধরা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
