পুজোর পাতেও পোলাও-মাংস, দরিদ্রদের পেট ভরাতে চালু কৌস্তভের ‘পুজো স্পেশাল ক্যান্টিন’

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


পুজো হোক সবার। আনন্দ আসুক সবার জীবনে। এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষজনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিলেন বারাকপুরের বিজেপি বিধায়ক। শনিবার, সপ্তমী থেকে চালু হল তাঁর ‘পুজো স্পেশাল এমএলএ ক্যান্টিন’। বঙ্গস্পন্দন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় পুজোর চারদিনে ২০ হাজার মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর দায়িত্ব নিলেন তিনি। প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার মানুষকে বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হবে।

শনিবার, সপ্তমীতে বারাকপুর সুকান্ত সদনের সামনে নিজে হাতে খাবার বিলি করলেন কৌস্তভ বাগচী, নিজস্ব ছবি

আরও পড়ুন:

কৌস্তভের কথায়, “যাঁরা ভালো খাবার খেতে পছন্দ করেন, কিন্তু সামর্থ্য নেই, পুজোর দিনে তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের লক্ষ্য।” আর্থিক সামর্থ্যের কারণে উৎসবের আনন্দ থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সেই ভাবনা থেকেই পুজোর চারদিন এই উদ্যোগ বলে জানান বিধায়ক।

পুজোর আনন্দে নতুন জামার পাশাপাশি পছন্দের খাবারের স্বাদও জড়িয়ে থাকে। কিন্তু আর্থিক অনটনে অনেকেরই সেই সাধপূরণ হয় না। উৎসবের দিনে তাঁদের পাতেও ভালো খাবার তুলে দিতে উদ্যোগী হলেন বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। শনিবার বারাকপুরের সুকান্ত সদন প্রেক্ষাগৃহে ক্যান্টিনের উদ্বোধন করেন বিধায়ক। খাবারের গুণমান যাচাই করতে নিজেও তা খেয়ে দেখেন তিনি। উদ্যোক্তাদের দাবি, রান্না থেকে পরিবেশন, সব ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবারের মান বজায় রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, বারাকপুর ও টিটাগড় পুরসভা এলাকায় মোট ছ’টি কেন্দ্রে খাবার দেওয়া হবে। বারাকপুরে সুকান্ত সদন, বড়পোল মোড়, কালিয়ানিবাস ও নোনা চন্দনপুকুর বাজারে চারটি কেন্দ্র থাকছে। বাকি দু’টি টিটাগড়ের কাওয়ারিয়াসন ও ব্রহ্মস্থান চত্বরে। মেনুতে রয়েছে পোলাও ও মাংস। তবে নবরাত্রির কথা মাথায় রেখে টিটাগড়ে মাংসের বদলে দেওয়া হবে পনিরের পদ। কৌস্তভের কথায়, “যাঁরা ভালো খাবার খেতে পছন্দ করেন, কিন্তু সামর্থ্য নেই, পুজোর দিনে তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের লক্ষ্য।” আর্থিক সামর্থ্যের কারণে উৎসবের আনন্দ থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সেই ভাবনা থেকেই পুজোর চারদিন এই উদ্যোগ বলে জানান বিধায়ক।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *