পুজোর পাস দুর্নীতি কাণ্ডে পুলিশের জালে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। এবার তাঁর গ্রেপ্তারি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, “দিদিক আশীর্বাদে ববি হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, এরা সবাই নায়ক। অতি ক্ষমতাই দুর্নীতির আসল কারণ।”
তাঁর দাবি, “দিদির আশীর্বাদে ববি হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, এরা সবাই নায়ক। আমরা তো ভিলেন হয়েই রয়ে গিয়েছি।”
আরও পড়ুন:
পুরনো সৈনিক। চড়াই-উতরাই, ঘাত-প্রতিঘাত সামলে বিরোধী থেকে শাসক, শাসক থেকে আবার বিরোধী। এই সময়কালে দিদির পাশে থাকার এক এবং অন্যতম কারণই হল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ভালবাসা। এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে তা ফের মনে করিয়ে দেন দলের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “কিছু মানুষ আছে, যাঁরা ক্ষমতাকে ভালোবাসে। এখন রাজনীতিতে এই দলের লোকই বেশি। আমরা দলকে ভালবেসে, মমতাকে বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভালবেসে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের দলে এমন লক্ষ লক্ষ কর্মী আছেন। আবার অনেকেই নাম লিখিয়েছেন শুভেন্দু তৃণমূলে।” কাজল শেখের প্রসঙ্গ টেনে কল্যাণ দাবি করেন, “গতকাল কাজল শেখে দিদির সঙ্গে আছি বলেছেন বলেন, তাঁর সিকিউরিটি তুলে নেওয়া হয়েছে।” তাঁর দাবি, “দিদির আশীর্বাদে ববি হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, এরা সবাই নায়ক। আমরা তো ভিলেন হয়েই রয়ে গিয়েছি।”
তাঁর স্পষ্ট কথা, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে একা দায়ী করলে হবে না। আরও অনেকে পরপর আছে। আমি মনে করি, একটা রাজনৈতিক দলের ৫ থেকে ১০ বছরের বেশি থাকা ক্ষমতায় উচিত নয়। কারণ অতি ক্ষমতাই দুর্নীতির মূল কারণ।”
তাঁর স্পষ্ট কথা, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে একা দায়ী করলে হবে না। আরও অনেকে পরপর আছে। আমি মনে করি, একটা রাজনৈতিক দলের ৫ থেকে ১০ বছরের বেশি থাকা ক্ষমতায় উচিত নয়। কারণ অতি ক্ষমতাই দুর্নীতির মূল কারণ।” তৃণমূল সাংসদ বলেন, “আমাদের মতো মানুষের জন্য এখন রাজনীতিতে থাকাটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমরা তো সততার সঙ্গে রাজনীতির করেছি। আমাদের লক্ষ লক্ষ তৃণমূল কর্মী, তাঁদের কাছেও বেদনাদায়ক। এখন কেউ রাজনীতি করতে আসেনি, এখন ব্যবসা করতে আসে। এই রকম অভিযোগ আসবে কেন, সেটা ভাবতে হবে। এইসব লোকের কীর্তিকলাপের জন্য দল দুর্বল হচ্ছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
