পহেলগাঁও প্রসঙ্গ টেনে ভারতে রোহিঙ্গা হেনস্তার অভিযোগ, রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টের নিন্দা দিল্লির

পহেলগাঁও প্রসঙ্গ টেনে ভারতে রোহিঙ্গা হেনস্তার অভিযোগ, রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টের নিন্দা দিল্লির

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁও হামলার পর থেকে মায়ানমারের ‘শরণার্থী’ রোহিঙ্গাদের হেনস্তা করছে ভারত। রাষ্ট্রসংঘের বিতর্কিত রিপোর্টে নিয়ে আপত্তি জানাল নয়াদিল্লির। সাউথ ব্লকের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, মায়ানমারে মানবাধিকার সংক্রান্ত রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে পহেলগাঁও প্রসঙ্গ টেনে অহেতুক ‘পক্ষপাতদুষ্ট বিশ্লেষণ’ করা হয়েছে। ভারত এই রিপোর্টকে মান্যতা দিচ্ছে না বলেও জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি মায়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ একটি বিশেষ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গত এপ্রিলে ওই হামলার পর থেকে মায়ানমারের ‘শরণার্থী’রা ভারতে প্রবল চাপের মধ্যে রয়েছেন। যদিও মায়ানমারের কোনও ব্যক্তি পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় জড়িত ছিলেন না। রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি থমাস অ্যাড্রুসের ওই রিপোর্টে রোহিঙ্গাদের হেনস্তার ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, গত কয়েক মাসে মায়ানমারের ‘শরণার্থী’দের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। তাদের মায়ানমারে ‘প্রত্যর্পণের হুমকি’ও দেওয়া হয়েছে।

থমাস আরও দাবি করেছেন, গত মে মাসে দিল্লিতে ধরা পড়া নারী, শিশু-সহ প্রায় ৪০ জন রোহিঙ্গাকে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ‘শরণার্থী’দের হাতে লাইফ জ্যাকেট ধরিয়ে মায়ানমারের দিকে জোর করে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বেশ কয়েক জন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। যদিও তাদের ‘শরণার্থী শণাক্তকরণ নথি’ ছিল। রাষ্ট্রসংঘের এই রিপোর্টেরই নিন্দা করেছেন নয়াদিল্লির প্রতিনিধি বিজেপি সাংসদ দিলীপ সাইকিয়া।

রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার তৃতীয় কমিটির আলোচনা সভায় সাইকিয়া জানান, এই রিপোর্টের কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। বরং তা ‘পক্ষপাতদুষ্ট’। সাইকিয়া বলেন, “(রাষ্ট্রপুঞ্জের) বিশেষ প্রতিবেদকের এই ধরনের পক্ষপাতদুষ্টতা এবং অস্পষ্ট বিশ্লেষণকে খারিজ করে আমার দেশ।” ভারতের রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে তথ্য ঠিক নয় বলেও দাবি করেছেন সাইকিয়া। ভবিষ্যতে এই বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘকে সতর্ক হওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *