এসআইআর পর্ব নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। সাধারণ মানুষের হয়রানি থেকে বিএলওদের, ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছেই। তার মধ্যে আরেক সমস্যা। এবার সমস্যায় খোদ বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তাঁর ব্যক্তিগত নম্বর ভাইরাল করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল।
আরও পড়ুন:
সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তিগত ফোন নম্বর ভাইরাল হয়ে যেতেই আইনি পরামর্শ নিচ্ছেন সিইও। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে, ফোন সাইলেন্ট করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘যে হারে লাগাতার ফোন, মেসেজ আসছে, এবার এফআইআর করব।’’ দেখা যাচ্ছে ফেসবুকে এক ব্যক্তি তাঁর ব্যক্তিগত নম্বরটি লিখে দিয়েছেন। তারপর থেকেই তাঁর ফোনে নানা ধরনের মেসেজ আসছে। তবে ফোনটি সাইলেন্ট মোডে রেখেছেন তিনি।
এসআইআরের শুনানি পর্বে ভোটারদের হয়রানির শেষ নেই। তাঁদের দেওয়া নথিপত্র নির্বাচন কমিশন গ্রাহ্যই করছে না, প্রাপ্তিস্বীকারও করছে না। এই অভিযোগ তুলে দিল্লির কমিশনকে পঞ্চম চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে লেখা চিঠিতে তাঁর আবারও অভিযোগ, এই পদ্ধতি একেবারেই ভিত্তিহীন, বেঠিক। এভাবে কাজ চললে যে কোনও সময়ে যে কোনও ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে গত শনিবার, মাত্র ২ দিন আগেই শুনানির নোটিস সংক্রান্ত বিষয়ে নিজের আপত্তির কথা জানিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি লিখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এই মুহূর্তে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজে শুনানি পর্ব চলছে। যাঁদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, তাঁদের কাছে নির্দিষ্ট কিছু নথি চাওয়া হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, এসআইআর শুনানিতে ভোটাররা নথি জমা দিলেও কোনও রসিদ বা প্রাপ্তির কোনও পালটা নথি দেওয়া হচ্ছে না। এসআইআরের শুনানিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের হয়রানির অভিযোগও সামনে আসছে নিত্যদিন।
আরও পড়ুন:
এসআইআর আতঙ্কে সাধারণ মানুষের মৃত্যুর অভিযোগও সামনে আসছে। এদিনও উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া ও উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে আতঙ্কে দু’জনের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
সর্বশেষ খবর
