পছন্দের জিনিসের মালিকানা হারানোর ভয়! হঠাৎ কী ঘটল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর জীবনে?

পছন্দের জিনিসের মালিকানা হারানোর ভয়! হঠাৎ কী ঘটল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর জীবনে?

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। একাধিক গুণ্মুগ্ধ তাঁর দুই দেশেই। বিভিন্ন ছবিতে, বিভিন্ন ধাঁচের চরিত্রে দর্শকের মন জিতে নিতে তিনি সিদ্ধহস্ত। কিন্তু সেই চঞ্চল চৌধুরীই নাকি পড়েছেন মহাসংকটে। শীত পড়তে না পড়তেই নিজের পছন্দের জিনিসগুলির মালিকানা হারানোর ভয় গ্রাস করেছে তাঁকে। ভাবছেন কি হল? কোন দুর্ঘটনা ঘটল তাঁর সঙ্গে? না না, এ কোনও দুর্ঘটনা নয়, বরং তাঁর জীবনের নতুন এক অভিজ্ঞতা। যা তাঁকে হারানোর ভয় নয় বরং আনন্দ দিয়েছে।

আসলে অভিনেতা-পুত্র শুদ্ধ এখন আর ছোটটি নেই। যথেষ্ট বড় হয়েছে সে। আর তাই বাবার পছন্দের অনেক জিনিসের মালিকানাই বদলে গিয়েছে। সেসব এখন শুদ্ধর জিম্মায়। ঠিক সেভাবেই অভিনেতা বাবার একটি নীল রঙের ব্লেজারের মালিকানা এখন তাঁর। ছেলের সেই ব্লেজার পরা ছবি শেয়ার করে ‘পদাতিক’ অভিনেতা নিজেই জানিয়েছেন সেই খবর। লিখেছেন, ‘যতদূর মনে পড়ে, গত শীতেও এই ব্লেজার খানার মালিকানা আমার হাতেই ছিলো!! ভাবছেন আমি নিজের টাকায় এটা বানিয়েছিলাম???জ্বী না। বেশ কয়েক বছর আগে আমার খালাতো ভাই প্রবীর নিজের শরীর থেকে খুলে আমাকে পরিয়ে দিয়ে বলেছিল, ‘দাদা,তোকে খুব সুন্দর মানিয়েছে..এটা তুই নিয়ে যা।’ আমি মুখে না বললেও,মনে মনে খুশী হয়েই গ্রহণ করেছিলাম জিনিসটা। আমার খুব পছন্দের ব্লেজার ছিলো এটা। এরকম আরও কিছু কালেকশন আমার কাছে আছে। কোনওটা নিজের টাকায় কেনা,আবার কোনটা প্রীতি উপহার।’

 

তবে এখানেই শেষ নয়, একইসঙ্গে সোশাল মিডিয়ার ওই পোস্টে খানিক মনখারাপের আঁচও পাওয়া যাচ্ছে। আসলে সন্তানের বেড়ে ওঠা দেখলে মা-বাবাদের মনে হয় এই তো সেদিন, চোখের নিমেষে ছোট্টটি কী করে এত বড় হয়ে গেল? ঠিক সেই আঁচই মিলল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর পোস্টে। তিনি আরও লিখেছেন, ‘উৎকন্ঠার ব‍্যাপারটা হলো,এবার শীতে আমার এসব প্রিয় এবং পছন্দের দামী জিনিসগুলোর মালিকানা বোধহয় আর আমার থাকবে না। ছেলেটা বড় হতে হতে আমার সমস্ত পোশাকই এখন তার শরীরে খাপে খাপ সেট হয়ে যাচ্ছে। এটাই মনে হয় প্রকৃতির নিয়ম। একটা সময় বাবা মায়ের সমস্ত কিছুই সন্তানের দখলে চলে যায়। এ আনন্দ যেন বাবা মায়ের জন‍্য অকল্পনীয় শান্তি। শুধুই কি সন্তানের হাতে বাবা মায়ের বৈষয়িক অর্জন গুলো হাত বদল হলেই বাবা মা খুশি হন,নাকি সন্তানের প্রতি আরও একটু বেশি কিছু প্রত‍্যাশা করে,স্বপ্ন দেখে? সবাই চায় বাবা মায়ের আদর্শ,যোগ‍্যতা বা সকল ভালো অর্জন গুলোও যেন সন্তানেরা ভেতরে ধারণ করে,আগলে রাখে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য!! হে সন্তানেরা, শুধু মাত্র সহায় সম্পত্তি পোশাক আশাক নয় বাবা মায়ের সকল ভালো অর্জন গুলোও নিজের জীবনে বয়ে নিয়ে সফল হও।’

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *