নেশামুক্তি কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তির রক্ত ‘চুরি’, বাড়ি ফিরেই মৃত্যু, রায়গঞ্জে উত্তেজনা

নেশামুক্তি কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তির রক্ত ‘চুরি’, বাড়ি ফিরেই মৃত্যু, রায়গঞ্জে উত্তেজনা

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


প্রচণ্ড শারীরিক দুর্বল অবস্থায় নেশামুক্তি কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরেই আমচকা এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। শুক্রবার পরিবারের তরফে ইটাহার থানায় অভিযোগ জানিয়ে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।অভিযোগ,নেশামুক্তি কেন্দ্রে অসুস্থ অবস্থায় বিনা অনুমতিতে ওই ব্যক্তির শরীর থেকে পরপর দু’বোতল রক্ত সংগ্রহ করা হয়েছিল। তার ফলেই সম্ভবত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ মেডিক্যাল হাসপাতালে মৃত্যু হয়।

মৃত সঞ্জীব কর্মকার (৩৯)। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ শহরের দেবীনগরের বাসিন্দা। পেশায় ইলেকট্রিক কারিগর ছিলেন। এদিন মৃতের আত্মীয় সুকুমার কর্মকার বলেন, সঞ্জীব কর্মকার মাত্রাতিরিক্ত বিড়ি খেতো। স্নায়ুরোগে আক্রান্ত ছিলেন। এরফলে মেজাজ হারিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে প্রায়দিনই অশান্তি হত। সেই কারণে গত মাসদুয়েক আগে ইটাহারের একটি বেসরকারি নেশামুক্তি হোমে ভর্তি করানো হয়েছিল সঞ্জীবকে। কিন্তু ওই হোমে শারীরিক উন্নতির পরিবর্তে গত মাস ধরে সঞ্জীবের চেহারার ভয়ঙ্কর অবণতি হয়ে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। শারীরিক ওজনও ক্রমশ অস্বাভাবিক ভাবে হ্রাস পেতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে গত সপ্তাহে ওই হোম থেকে রায়গঞ্জের বাড়িতে তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয়।
কিন্তু তারপর জন্ডিসে আক্রান্ত হয় সঞ্জীব। খাওয়াদাওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:

সুকুমারবাবুর গুরুতর অভিযোগ, “সঞ্জীব আমাদের জানায় ইটাহারের ওই হোমে তাঁর শরীর থেকে দুই বোতল রক্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হোম কতৃপক্ষ এ ব্যাপারে আমাদের থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি। আমাদের অনুমান, হোমে ওই রক্ত নেওয়ার কারণেই হয়তো ওর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তার জন্যই ও হোম থেকে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং বুধবার সন্ধ্যায় ওকে নিজের ঘরেই বিছানার নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই অবস্থায় তড়িঘড়ি ওকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ওকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ওর মৃত্যুর অস্বাভাবিকতার জন্য বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ মেডিক্যালের পুলিশ মর্গে ময়নাতদন্ত করা হয়। আমরাও পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, সঞ্জীবের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে যথেষ্ট ধন্দে আমরা।” রায়গঞ্জ মেডিক্যাল হাসপাতালের মর্গে দেহের ময়নাতদন্ত করা। তবে রায়গঞ্জ পুলিশ সুপার সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ বলেন,” ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট বলা সম্ভব নয়। তবে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *