নেদারল্যান্ডসের ‘পঞ্চবাণে’ বধ সুইডেন! ব্রাজিলের রেকর্ড ভেঙে কোচের হুঙ্কার, ‘অন্যরাও বুঝবে’

নেদারল্যান্ডসের ‘পঞ্চবাণে’ বধ সুইডেন! ব্রাজিলের রেকর্ড ভেঙে কোচের হুঙ্কার, ‘অন্যরাও বুঝবে’

ইন্ডিয়া খবর/INDIA
Spread the love


কমলা ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে সুইডেন। ব্রবি-গাকপো জুটিতে ডাচদের রাজকীয় ফুটবল সত্যিই তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো। সুইডেনের রক্ষণকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করে ৫-১ গোলে হারিয়েছে নেদারল্যান্ডস। এই বিধ্বংসী জয়ের পর ব্রাজিলের রেকর্ড ভাঙল তারা। জয়ের পর রীতিমতো হুঙ্কার দিয়েছেন ডাচ কোচ। 

এই বিষয়ে আরও খবর

এর আগের ম্যাচে টিউনিশিয়াকে ৫ গোলের মালা পরিয়েছিল সুইডেন। এবার তারা নিজেরাই খেল ৫ গোল। দলে লিন্ডেলফের মতো অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ছিলেন। তা সত্ত্বেও একাধিক ফাঁকা জায়গা তৈরি হল। যার সুযোগে সুইডিশ রক্ষণে একের পর এক হানা চালিয়ে গোল করে গেলেন ডাচ ফরোয়ার্ডরা। প্রথম ম্যাচে দু-দু’বার জাপানের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও ড্র করে মাঠ ছেড়েছিলেন রোনাল্ড কোম্যানের ছেলেরা। সেই ‘ভুল’ থেকে শিক্ষা নিয়ে অনবদ্য প্রত্যাবর্তন ডাচেদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

১৯৫৮ থেকে ১৯৬৬ সালের মধ্যে বিশ্বকাপে টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার অনন্য রেকর্ড গড়েছিল ব্রাজিল। চলতি বিশ্বকাপে নামার আগে সেই রেকর্ডের খুব কাছাকাছি ছিল নেদারল্যান্ডস। রেকর্ড ছোঁয়ার থেকে মাত্র এক ম্যাচ পিছিয়ে ছিল তারা। জাপানের বিরুদ্ধে ড্র করে ডাচরা ব্রাজিলের ১৩ ম্যাচ অপরাজিত থাকার কীর্তি স্পর্শ করে। এবার সুইডেনকে হারিয়ে ব্রাজিলকে পিছনে ফেলে বিশ্বকাপে টানা ১৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়েছে কমলা বাহিনী। শুরু থেকে প্রতিপক্ষ বক্সে আক্রমণের বাড় তোলে নেদারল্যান্ডস। যত দ্রুত সম্ভব গোলের সংখ্যা বাড়িয়ে নেওয়াই লক্ষ্য ছিল যেন। ফলও মেলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে। কোডি গাকপোর পাস থেকে গোল করেন ব্রায়ান এবি। ১৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনিই। ফরোয়ার্ড লাইনে তাঁর উপর ভরসা রেখেছিলেন ডাচ কোচ রোনাল্ড কোম্যান। হতাশ করেননি এবি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন গাকপো। ৪৭ এবং ৫৪ মিনিটে পরপর স্ট্রাইক করেন ডাচ ফরোয়ার্ড।

শেষদিকে পঞ্চম গোলটি ক্রাইসেন্সিও সামারভিলের। পরপর দু’ম্যাচে গোলের দেখা পেলেন তিনি। দলের চতুর্থ গোলে অ্যাসিস্টও করেন তিনি। গাকপোর পাশাপাশি দুরন্ত খেললেন রাইট ব্যাক ডেনজেল ডামফ্রিস। একটার পর একটা ঠিকানা লেখা পাস সতীর্থদের উদ্দেশ্যে পাঠালেন তিনি। জোড়া অ্যাসিস্টে ডামফ্রিস বুঝিয়ে দিলেন, কেন তাঁকে ইউরোপের অন্যতম সেরা সাইড ব্যাক বলা হয়। বুঝিয়ে দিলেন, কেন তাঁকে ঢাকঢোল পিটিয়ে দলে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের মতো ক্লাব। বেশ কয়েকটা ভালো সেভ করেন গোলকিপার বার্ট ভারব্রুঘেনও।

অন্যদিকে, ইউরোপের অন্যতম সেরা দুই ফরোয়ার্ড রয়েছে সুইডেনের দলে। আলেকজান্ডার ইসাক এবং ভিক্টর গয়োকেরেস। প্রথম ম্যাচে ঝড় তুলেছিলেন দু’জনই। কিন্তু এদিন তাঁদের পুরোপুরি বোতলবন্দি করে রাখল ডাচ ডিফেন্স। ৫৯ মিনিটে ইসাকের পাস থেকে একটা গোল করেছিলেন অ্যান্থনি এলাঙ্গা। সেটুকুই যা সান্ত্বনা সুইডেনের জন্য। প্রথমার্ধে অফসাইডের জন্য তাদের একটি গোল বাতিল হয়। সুইডেনকে ৫ গোলের মালা পরিয়ে নেদারল্যান্ডস কোচ বলেন, “প্রথম ম্যাচের পর আমাদের দলে কিছুটা সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। তবে এই ম্যাচে দল অনেক ভালো খেলেছে। যাতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। অন্যান্য দল এখন বুঝবে, নেদারল্যান্ডস কতটা বিপজ্জনক হতে পারে।”

এই বিষয়ে আরও খবর

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *