সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আজ থেকে ঠিক একমাস আগে সাধারণ পর্যটকের রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল বৈসরনের সবুজ উপত্যকা। জঙ্গিদের গুলিতে প্রান গিয়েছিল ২৬ জনের। কলমা পড়তে বলে পর্যটকদের ধর্ম দেখে দেখে খুন করে জঙ্গিরা। কিন্তু একমাস পেরিয়ে গেলেও চেনা ছন্দে ফিরতে পেরেছে পহেলগাঁও?
স্থানীয়দের কথা অনুযায়ী, এই ঘটনার পর উপত্যকা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন পর্যটকরা। আর এতেই মুখ থুবড়ে পড়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের পর্যটন ব্যবস্থা। সমস্য়ায় পড়েছেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি নিয়ে পহেলগাঁওয়ের এক ট্যুর অপারেটর নাসির আহমেদ বলেন, “পর্যটকদের আনাগোনা না থাকায় জনশূন্য দেখাচ্ছে উপত্যকাকে। আগে পহেলগাঁওয়ে রোজ হাজার হাজার পর্টযক আসতেন। টাট্টুঘোড়ার চালক, হোটেল মালিক-সহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত সকলের আয় হত। এখন সব থমকে গিয়েছে।”
মোহাম্মদ ইরশাদ নামে এক দোকানদার বলেন, “বর্তমান অবস্থা খুব খারাপ। পর্যটকরা আসছেন না। এতে আমাদের এলাকার অর্থনৈতিক অবস্থা খুব খারাপ অবস্থায় রয়েছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি এরজন্য যাবতদীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।”
উল্লেখ্য, নৃশংস সন্ত্রাসবাদী হামলার পর তদন্তভার নেয় এনআইএ। সন্ত্রাসবাদকে মদত দেওয়ার অভিযোগে পাকিস্তানের সঙ্গে একাধিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বাতিল করে ভারত সরকার। অপারেশন সিঁদুর অভিযানে পাকিস্তান ও পাক অধীকৃত কাশ্মীরে থাকা ৯ টি জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দেয় ভারতীয় সেনা। জঙ্গিদের সহযোগিতা করার অপরাধে ১০০-র বেশি জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে উপত্যকাজুড়ে একাধিক জায়গায় জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা। যদিও পহেলগাঁও হামলায় জড়িত জঙ্গিদের এখনও ধরতে করতে পারেনি পুলিশ।
