নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ’, অভিযুক্তকে বাঁচাতে টাকা দিয়ে পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারে চাপ তৃণমূল নেতার!

নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ’, অভিযুক্তকে বাঁচাতে টাকা দিয়ে পরিবারকে মামলা প্রত্যাহারে চাপ তৃণমূল নেতার!

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


অর্ণব দাস, বারাসত: অশোকনগরে ৬ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ! অভিযুক্তকে বাঁচাতে নির্যাতিতার পরিবারকে অর্থের প্রলোভন ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। রবিবার বিজেপি নেতা কৌস্তুভ বাগচীর একটি পোস্টে ওই তৃণমূল নেতার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি ওই তৃণমূল নেতার।

রবিবার দুপুরে ফেসবুকে প্রবীর মজুমদার (গুপি) নামে এক তৃণমূল নেতার ছবি ও দুটি নথি পোস্ট করেন বিজেপি নেতা কৌস্তুত বাগচী। এরপরই প্রকাশ্যে আসে গোটা বিষয়টা। জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ২৫ এপ্রিল। ওইদিন উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের বাসিন্দা ৬ বছরের ওই নাবালিকা স্কুল থেকে ফিরছিল। সেই সময় এক মুদিদোকানের মালিক সফিক মণ্ডল তাকে ডাকে। চিপসের প্রলোভন দিয়ে নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। বাড়ি ফিরে নির্যাতিতা গোটা বিষয়টা জানান। এরপরই অশোকনগর থানার দ্বারস্থ হন পরিবারের সদস্যরা।

 

https://www.fb.com/permalink.php?story_fbid=pfbid0gxv9zpCuLRLU5T7sTQiBnMRUPygQnpHmy2eJn4kvnZa1WQuFGduw19gXC3YWpoS2l&id=61572422936314

অভিযোগ, প্রথমে মামলা নিতে রাজি হননি পুলিশ আধিকারিকরা। এক পর্যায়ে থানায় হাজির হন হাবড়া ২ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও তৃণমূল নেতা শ্রী প্রবীর মজুমদার। অভিযোগ, তিনি নিজের প্রভাব খাটিয়ে টাকার বিনিময়ে বিষয়টা মিটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। নির্যাতিতার পরিবার রাজি না হওয়ায় তৃণমূল নেতা তাঁদের হুমকি দেন বলে অভিযোগ। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন নির্যাতিতার পরিবার। একটি চিঠি লেখেন তাঁরা, সেখানেই প্রবীর মজুমদারকে মূল চক্রান্তকারী বলে উল্লেখ করে শাস্তির দাবি জানান।

অশোকনগর থানা সূত্রে খবর, ধর্ষণের ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে বর্তমানে বন্দি। এদিকে তৃণমূলনেতা প্রবীর জানিয়েছেন, ঘটনার সময় তিনি কাশ্মীরে আটকে ছিলেন। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা একেবারেই ভিত্তিহীন। তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করে এধরণের মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আইনজীবীর পরামর্শ নেবেন বলেও জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *