দৌড়ে এগিয়ে সৌরভ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে পরবর্তী বোর্ড প্রেসিডেন্টের নাম!

দৌড়ে এগিয়ে সৌরভ, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে পরবর্তী বোর্ড প্রেসিডেন্টের নাম!

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


স্টাফ রিপোর্টার: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নতুন প্রেসিডেন্ট কে হবেন? ক্রিকেটমহল জুড়ে জল্পনার শেষ নেই। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় বোর্ড একটা ট্রেন্ড তৈরি করে ফেলেছে। কোনও প্রাক্তন ক্রিকেটারকে বোর্ড প্রেসিডেন্টের চেয়ারে নিয়ে আসা হচ্ছে। এবারও তার যে অন্যথা হবে, সেরকম নয়। তিন-চারটে নাম নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। ইতিমধ্যে প্রত্যেক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বোর্ডের বার্ষিক সভায় তাদের হয়ে কে প্রতিনিধিত্ব করবেন। সিএবি-র যেমন প্রতিনিধি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তেমনই পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন থেকে আসবেন হরভজন সিং।

আগামী ২২ সেপ্টেম্বর বোর্ডের মনোনয়ন জমার শেষ দিন। যা শোনা যাচ্ছে, তাতে আগামী চব্বিশ থেকে আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ বোর্ড প্রেসিডেন্টের চেয়ারে কে বসবেন, তা অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যেই। আপাতত যা শোনা যাচ্ছে, তাতে বোর্ড প্রেসিডেন্টের দৌড়ে রয়েছেন সৌরভ। মাঝে শোনা যাচ্ছিল, হরভজনকেও এই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সূত্রের খবর, হরভজন বোর্ড প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে একটু পিছিয়ে পড়েছেন। তবে তিনি একেবারে যে লড়াইয়ে নেই, সেটাও বলা যাচ্ছে না। আর একজনের নাম প্রবলভাবে শোনা যাচ্ছে। রঘুরাম ভাট। তিনি কর্নাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন থেকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। ভারতের হয়ে দু’টো টেস্ট খেলেছেন। বোর্ডের অন্দরমহলের খবর, শেষ ল্যাপের লড়াইয়ে রঘুরাম প্রবলভাবে ঢুকে পড়েছেন।

ভারতীয় ক্রিকেটমহলের একটা অংশ মনে করছে, যদি শেষপর্যন্ত রঘুরামকে প্রেসিডেন্ট করা হয়, সেটা প্রচণ্ড হতাশাজনক ব্যাপার হবে। যেখানে সৌরভের মতো দেশের সেরা একজন প্রাক্তন অধিনায়ক রয়েছেন, সেখানে মাত্র দু’টো টেস্ট খেলা একজন প্রাক্তন ক্রিকেটারকে বিসিসিআই প্রেসিডেন্টের মতো হাই প্রোফাইল পোস্টে নিয়ে এলে, তা ভারতীয় ক্রিকেটের পক্ষে খুব ভালো বিজ্ঞাপন হবে না।

তাছাড়া সৌরভের আরও একটা প্লাস পয়েন্ট রয়েছে। তিনি তিন বছর বোর্ড প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব সামলেছিলেন। শুধু দায়িত্ব সামলানো নয়, অত্যন্ত সফলভাবে তা সামলেছিলেন। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সফলভাবে আইপিএল আয়োজন করেছিলেন সৌরভ-জয় শাহ মিলে। ফলে বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক যথেষ্ট অভিজ্ঞ। আরও একটা কথা বলা হচ্ছে। এর আগে বোর্ড প্রেসিডেন্ট ছিলেন রজার বিনি। তিনি কর্নাটক থেকে এসেছিলেন বোর্ডে। রঘুরামও কর্নাটকের প্রতিনিধিত্ব করছেন। পরপর দু’বার একই রাজ্য থেকে প্রেসিডেন্ট হওয়ার নজির খুব একটা নেই বিসিসিআই ইতিহাসে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *