দেশের ‘স্বার্থে’ ভারত-পাক শান্তি চান হুমায়ুন! মোদি-শরিফকে লেখা চিঠিতে সই নওদার বিধায়কের

দেশের ‘স্বার্থে’ ভারত-পাক শান্তি চান হুমায়ুন! মোদি-শরিফকে লেখা চিঠিতে সই নওদার বিধায়কের

বৈশিষ্ট্যযুক্ত/FEATURED
Spread the love


ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন হোক। এই দাবি জানিয়ে নরেন্দ্র মোদি ও শাহবাজ শরিফকে খোলা চিঠি লিখেছেন দুই দলের ১১৭ বিশিষ্টজন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ৬১ জন ভারতীয়। বাকিরা পাকিস্তানের নাগরিক। ভারতের এই ৬১ জনের মধ্যে রয়েছেন নওদার আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি জানিয়েছেন, দেশের স্বার্থে তিনি দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উন্নতি চান।

এবিষয়ে হুময়ুন বলেন, “আমি কোনও দিন ভারতের বিরুদ্ধে কোনও কথা বলিনি। শান্তি চেয়ে দেশের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছি। ফারুক আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতি-সহ ভারতের ৬১ জনের সই চিঠিতে রয়েছে। তাঁরা দেশদ্রোহী হলে আমিও দেশদ্রোহী। সংঘর্ষ হলে দুই দেশের সাধারণ মানুষই বিপদে পড়েন। সেনাবাহিনীর জওয়ানদের মৃত্যু হয়। এই সংঘর্ষের বিরুদ্ধে চিঠি লিখেছি।”

আরও পড়ুন:

চিঠিতে দুই সরকারের প্রতি দীর্ঘদিনের বৈরিতা অবসানের আহ্বান জানিয়ে দাবি করা হয়েছে, এই পরিস্থিতির কারণে লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী সুযোগ-সুবিধা, সমৃদ্ধি ও একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনা ও স্বাভাবিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ করার আর্জি জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওই চিঠিতে দুই দেশেরই কয়েকজন রাজনীতিবিদ ও জননেতার স্বাক্ষর রয়েছে। চিঠিতে আবেদনকারীদের দাবি, নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদে পুনরায় হাই কমিশনার নিয়োগ, স্বাভাবিক ভিসা পরিষেবা চালু এবং বাণিজ্যিক উড়ানের জন্য আকাশসীমা খুলে দেওয়া হোক। পাশাপাশি তাঁরা বাণিজ্য ও যাতায়াতের জন্য আটারি-ওয়াঘা স্থলসীমান্ত খুলে দেওয়া, শ্রীনগর-মুজাফফরাবাদ বাস পরিষেবা পুনরায় চালু করা এবং আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যান্য উদ্যোগ পুনর্বহালেরও আহ্বান জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোররাতে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *