দুই থেকে তিন হওয়ার আগে একান্তে রাজকুমার-পত্রলেখা, বেবিমুনে কোথায় গেলেন?

দুই থেকে তিন হওয়ার আগে একান্তে রাজকুমার-পত্রলেখা, বেবিমুনে কোথায় গেলেন?

সিনেমা/বিনোদন/থিয়েটার
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুই থেকে তিন হবেন খুব তাড়াতাড়ি। ঘরে আসবে নতুন সদস্য। ইতিমধ্যেই তাই দিনগোনা শুরু করে দিয়েছেন তারকা দম্পতি রাজকুমার রাও ও পত্রলেখা। সোশাল মিডিয়ায় কিছুদিন আগেই সন্তান আসার খবর ভাগ করে নিয়েছেন দু’জনেই। নেটিজেনরা শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন তাঁদের। ঘরে নতুন সদস্যের আগমনবার্তা দিয়ে এবার একান্তে সময় কাটাচ্ছেন তাঁরা। বিদেশে গিয়েছেন বেবিমুনে।

নিউজিল্যান্ডে নিজেদের মতো করে সময় কাটাচ্ছেন রাজকুমার ও পত্রলেখা। সুইমিং পুলে তাঁদের সময় কাটানোর ও ভালোবাসায় মোড়া ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন তাঁরা দু’জনেই। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে এই ভ্রমণ নিয়ে দম্পতি জানিয়েছেন, “আমরা নিজেদের মতো করে এই সময়টা উপভোগ করার চেষ্টা করছই। আমরা দু’জনেই বেড়াতে যেতে খুব ভালোবাসি। যদিও এইসময় আমাদের বেশকিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়েছে। আমরা বাঞ্জি জাম্পিং, বোটিং বা স্কাইডাইভিংয়ের মতো বিষয়গুলি এড়িয়ে গিয়েছি। তবে হ্যাঁ, আমাদের এই নিউজিল্যান্ড সফর সারা জীবনের জন্য আমাদের স্মৃতির পাতায় উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।”

 
 
 
 
 
View this submit on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by 🌸 Patralekhaa 🌸 (@patralekhaa)

 

বিয়ের সাড়ে তিন বছরের মাথায় মা-বাবা হতে চলেছেন তাঁরা। বিগত ১৫ বছর ধরে একসঙ্গে রয়েছেন রাজকুমার-পত্রলেখা। তারকাদের ঘুণ ধরা দাম্পত্যের কেচ্ছায় তারকাজুটি বরাবরই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের লাইমলাইটের অন্তরালে রেখেছেন। আর পাঁচজন সেলেবদের মতো পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার ফ্ল্যাশের ঝলকানিতে তাঁদের দেখা গেলেও রাজকুমার-পত্রলেখার দাম্পত্য নিয়ে এযাবৎকাল কোনও নেতিবাচক চর্চা শোনা যায়নি। এবার মা-বাবা হিসেবে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন তাঁরা। এই সুখবর ভাগ করে, শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে এপ্রসঙ্গে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, “সত্যি বলতে কী, আমরা ভীষণ রোমাঞ্চিত। আমাদের অনেক বন্ধুবান্ধব, যাঁরা ইতিমধ্যেই বাবা-মা হয়েছেন, তাঁরাই আমাদের বলছেন যে, এটি তোমাদের জীবনের সেরা অধ্যায় হতে চলেছে। আমরা এখন সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছি। আর সেই খুশিতে ডুবে রয়েছি।” এরপরই হাসিমুখে অভিনেতার সংযোজন, “আমাদের কাছে প্রতিটা দিনই নতুন। আমরা একে-অপরকে প্রায় ১৫ বছর ধরে চিনি। একসঙ্গে বড় হলাম, বললেও অত্যুক্তি হবে না। তাই এখনও এই বিষয়টা ভেবেই আমাদের মাঝেমধ্যে মনে হচ্ছে, আরে হচ্ছেটা কী! আমরা মা-বাবা হতে চলেছি। দারুণ একটা অনুভূতি।”





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *